হাতি চলাচলের রাস্তায় প্লাস্টিক তো বটেই, জায়গায় জায়গায় পড়ে রয়েছে মদের বোতলও। অরণ্য সপ্তাহকে সামনে রেখে বক্সায় দমনপুর ও রাজাভাতখাওয়ার মধ্যে সাফাই অভিযানে এমন দৃশ্য উঠে আসায় চিন্তায় বনকর্তারাও। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা রুখতে বন দফতরের তরফে নজরদারি কেন বাড়ানো হচ্ছে না— সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে পরিবেশপ্রেমী সংগঠনগুলো।শনিবার বক্সার জঙ্গলে দমনপুর ও রাজাভাতখাওয়ার মাঝে রাস্তার দুই ধারে এই সাফাই অভিযানের কর্মসূচি নিয়েছিল বন দফতর। অভিযোগ, বক্সার জঙ্গলে প্রবেশের রাস্তার দুই ধারে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক পড়েছিল। সেই সঙ্গে জায়গায় জায়গায় ছিল মদের ফাঁকা কাচের বোতলও। যার একাধিক জায়গা দিয়ে হাতি চলাচল করে বলেও বন দফতর সূত্রের খবর। হাতির সঙ্গে মানুষের সংঘাতের আশঙ্কাও করছেন অনেকে। পশ্চিম রাজাভাতখাওয়ার রেঞ্জ অফিসার অমিতাভ পাল জানান, এ ধরনের ঘটনা রুখতে বন দফতর সচেতনতামূলক প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু একাধিক পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের অভিযোগ, তার পরও কেন বিষয়টিতে কাজ হচ্ছে না, সেটা বন দফতরকে দেখতে হবে।উত্তরবঙ্গের পরিবেশকর্মী অরূপ গুহ বলেন, “বনাঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা রুখতে সচেতনতা তো বটেই, পাশাপাশি নাজরদারি ও শাসনও দরকার। সেটা না-হলে এই ঘটনাগুলো বাড়তেই থাকবে। যেটা মানুষ বা বন্যপ্রাণী-— কারও ক্ষেত্রেই শুভ নয়।” বন দফতরের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের এক আধিকারিক জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে বক্সার জঙ্গলে এ ধরনের ঘটনা আটকানোর চেষ্টা চলছে। তাতে কিছু সাফল্যও এসেছে। আগামী দিনে আরও কড়া ভাবে বিষয়টি দেখা হবে বলেও জানান তিনি।