জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের জেলা সদর হাসপাতালে ‘সিক নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট’ (এসএনসিইউ) থাকলেও এখনও পর্যন্ত ‘নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট’ (নিকু) এবং ‘পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট’ (পিকু) চালু করা হয়নি। আশঙ্কাজনক শিশুদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বলে দাবি।মেডিক্যাল সূত্রে খবর, জেলা সদর হাসপাতালে শিশু বিভাগে অন্তত ৫০টি শয্যা রয়েছে। একই শয্যায় গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে শিশু ও মায়েদের। এ ছাড়াও এসএনসিইউ-এ অন্তত ২৭টি শয্যা রয়েছে। সেখানেও গড়ে প্রতিদিনই ৪৫-৫০টি শিশু ভর্তি থাকে। চিকিৎসাধীন শিশুদের মায়েদের থাকার জন্য এবং শিশুদের জন্য শয্যা বাড়ানো খুবই জরুরি বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
২০ শয্যার পিকু গড়ার কাজ প্রায় শেষ হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিবিদের অভাবে তা চালু করা যায়নি বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য পিকু খুবই জরুরি বলে মনে করেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরা। ০-১০ বছরের শিশুদের এই বিভাগে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করা জরুরি। একই সঙ্গে নিকু ০-২৮ দিন বয়সীর চিকিৎসায় প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞেরা। স্বাস্থ্য দফতরের প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বারবার আবেদন জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি সূত্রের। মেডিক্যালের সুপার তথা ভাইস প্রিন্সিপাল কল্যাণ খান বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনও মন্তব্য করতে পারব না।’’