কোথাও দক্ষিণ ভারতের মন্দির, কোথাও ইউরোপিয়ান ধাঁচে রাজবাড়ি। জলপাইগুড়ি শহরের বিগ বাজেটের পুজো কমিটিগুলির মধ্যে অন্যতম জাগ্রত সঙ্ঘ ক্লাব ও তরুণ দল। পাশাপাশি দুই ক্লাবের দুই পুজোর মণ্ডপের সাজে চলছে টেক্কা।
জাগ্রত সঙ্ঘ ক্লাবের পুজো ৭৫ বছরে পড়ল। দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিমা সাবেকি। মণ্ডপ ফাইভার, বাঁশ, কাঠ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। উদ্যোক্তারা জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার চার বছর পরে, ১৯৫১ সালে পুজোর সূচনা হয়েছিল। ২০০১ সালে ৫০ বছর উপলক্ষে হোগলা পাতা দিয়ে মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছিল। এর পর থেকে প্রতি বছর দর্শনার্থীদের জন্য নতুন চমক থাকছে পুজোমণ্ডপে। একাধিক পুরস্কারও পেয়েছে ক্লাব। পুজো কমিটির সহ-সম্পাদক তুহিন নাথ বলেন, ‘‘গত জুলাই মাস থেকে মণ্ডপ তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জন্মাষ্টমী থেকে প্রতিমা গড়ার কাজ শুরু হয়েছে। দর্শনার্থীরা অভিনব পুজো মণ্ডপ দেখতে পারবেন।’’
পিছিয়ে নেই জাগ্রত সঙ্ঘের পাশে বিগ বাজেটের তরুণ দলের পুজোও। এ বছর সেই পুজোর ৬৭ বছর। ইউরোপের ধাঁচে রাজমহল দেখা যাবে মণ্ডপে। পরিবেশবান্ধব সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। জলপাইগুড়ির ডেকরেটরের পাশাপাশি মেদিনীপুরের কারুশিল্পী তোতন মান্নাও মণ্ডপ সাজানোর কাজে যুক্ত। রাজস্থানি ধাঁচে প্রতিমা গড়া হয়েছে। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ কৌশিক সাহা বলেন, ‘‘আলোকসজ্জাও থাকছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে।’’