E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

জোড়া ফলায় উত্তরে ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাতও

উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা।

শান্তশ্রী মজুমদার

শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫৯
বুধবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার জলপাইগুড়িতে।

বুধবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার জলপাইগুড়িতে। নিজস্ব চিত্র।

বর্ষা আসতে এখনও ঢের দেরি। কিন্তু তার আগেই এক দিকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা, অন্য দিকে, ঘূর্ণাবর্ত জুড়ে আবহাওয়ার জোড়া ফলায় বিদ্ধ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের ৩০টিরও বেশি এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সেন্টিমিটার পর্যন্ত সূচকে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তার সঙ্গে রয়েছে ভারী বজ্রপাতের পূর্বাভাসও।

উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা। অন্য দিকে, উত্তরে পাহাড়ের পাদদেশ এলাকা এবং সিকিমের উপরে তৈরি হয়েছিল একটি ঘূর্ণাবর্ত। আবহাওয়া আধিকারিকেরা জানান, মঙ্গলবার রাত থেকেই দু’টি এক সঙ্গে হয়ে জোড়া প্রভাব ফেলতে শুরু করে উত্তরবঙ্গে। ফলে উত্তরবঙ্গের সব নদীর জল একসঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে বলে সেচ দফতর সূত্রে খবর।

আবহাওয়া দফতরের প্রকাশিত তালিকায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জলপাইগুড়িতে ৪-২১ সেন্টিমিটার, শিলিগুড়ি এবং সংলগ্ন এলাকায় ৪-৫ সেন্টিমিটার, কোচবিহারে ৩-৭ সেন্টিমিটার, কালিম্পংয়ে ৬ সেন্টিমিটার, রায়গঞ্জে ৪ সেন্টিমিটার, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৪-৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা গিয়েছে। যাকে ‘অতি ভারী’ বলেই ধরা যায়। এই পরিমাণ বৃষ্টিপাত সচরাচর মার্চ-এপ্রিলে দেখা যায় না।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, ‘‘২ মে পর্যন্ত কমবেশি এমন পরিস্থিতি চলতে থাকবে। কারণ বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গে।’’ ৩ মে থেকে পাহাড় এবং পাদদেশ এলাকায় অতি ভারী বৃষ্টি কিছুটা কমলেও ভারী বৃষ্টি থাকবে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে প্রবল বজ্রপাতের পূর্বাভাসও জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার রাত থেকে ব্যাপক বজ্রপাত চলছে বিভিন্ন জেলায়। হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ি নদীগুলিতে হড়পা বান এবং দার্জিলিং জেলায় ধসের আশঙ্কা রয়েছে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বজ্রপাতে উত্তরবঙ্গে মারা গিয়েছিলেন ১১ জন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Balurghat

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy