পাহারা বসল জেলা স্কুলে। দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার আপাতত নজরদারি চালাচ্ছে জেলা স্কুলে। রবিবার দুপুরের পরে রাতেও জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে নজরদারি চলবে বলে সূত্রের খবর। জেলা স্কুলের বদলি হওয়া প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ইয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রাক্তনীদের তরফ থেকেও অভিযোগ জানানো হয়েছে থানায়। রাতের অন্ধকারে পিছন দরজা দিয়ে স্কুলে ঢোকার চেষ্টা-সহ স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ সব নথি ভরা আলমারির চাবি অবৈধ ভাবে নিজের কাছে রাখার অভিযোগ দায়ের হয়েছে ধর্মচাঁদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জেলা স্কুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দীনবন্ধু ঘোষ নিজেই অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ দিকে জেলা স্কুলের সব নজর ক্যমেরার ফুটেজেও নজরদারি চলছে বলে খবর।
শনিবার রাতে জেলা স্কুলের পিছন দরজায় স্কুলের বদলি হওয়া প্রধান শিক্ষক উপস্থিত হন বলে দাবি। স্কুলের পিছন দিকেই শিক্ষকদের আবাসন রয়েছে। স্কুলের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয় বলে আবাসনের শিক্ষকদের কাছেও গেটের চাবি থাকে। ধর্মচাঁদ বাড়ই স্কুলের পিছন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আবাসনের এক শিক্ষকের কাছে গেটের চাবি চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেই খবর জানাজানি হতেই স্কুলে চলে আসেন অন্য শিক্ষক থেকে প্রাক্তনীরা।
শনিবার ধর্মচাঁদ বাড়ইকে স্কুলের তরফে রিলিজ় অর্ডার তথা অব্যাহতির নথি দিয়ে দেওয়া হয়। ধর্মচাঁদ বাড়ই সেই নথি হাতে না নিলেও ই-মেলে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রাক্তনী ও শিক্ষকদের দাবি, শনিবারই স্কুল থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পাকাপাকি সম্পর্ক ছিন্ন হয় বদলি হওয়া প্রধান শিক্ষকের। তারপরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্কুলের কিছুই ধর্মচাঁদ বাড়ই রাখতে পারেন না বলে দাবি। অথচ স্কুলের সব আলমারির চাবি ধর্মচাঁদ নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্কুলের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অন্য দিকে, প্রাক্তনীদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ খানও জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। নথি লোপাটের আশঙ্কা করে সদ্য বদলি হওয়া প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়েছে সংগঠন। ধর্মচাঁদ বাড়ইয়ের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা যায়নি।