E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সিএএ-তে আবেদন, জামিন তরুণীর

জবারানির আদি বাড়ি বাংলাদেশের লালমণিরহাট এলাকায়। ২০২৪ সালে কোচবিহারের শীতলখুচির দেবাশিসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের ন’মাসের মাথায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪২
স্ত্রী জবারানিকে স্বাগত জানাচ্ছেন স্বামী।

স্ত্রী জবারানিকে স্বাগত জানাচ্ছেন স্বামী। — নিজস্ব চিত্র।

বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তরুণী রাজবংশী বধূ। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) আওতায় আবেদন করে ছ’মাস বাদে, মঙ্গলবার সংশোধনাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন তিনি। ওই বধূ, জবারানি সরকার জানান, ২০১৩ সালে ছ’বছর বয়সে তাঁর বাবা বাংলাদেশ থেকে তাঁকে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে জ্যেঠুর বাড়িতে রেখে যান। সেখান থেকেই তাঁর বিয়ে হয়। মাস ছয়েক আগে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার হন তিনি। তাঁর স্বামী দেবাশিস সরকার বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যম থেকে জেনে স্ত্রী-র মুক্তির জন্য সিএএ-তে আবেদন করি। সে নথি কলকাতা হাই কোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে জমা দিয়েছি। তার ভিত্তিতেজামিন মিলেছে।’’

পরিবার জানিয়েছে, জবারানির আদি বাড়ি বাংলাদেশের লালমণিরহাট এলাকায়। ২০২৪ সালে কোচবিহারের শীতলখুচির দেবাশিসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের ন’মাসের মাথায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন তাঁর স্বামীও। ৩১ দিন জেল হেফাজতে থাকার পরে স্বামী ছাড়া পান। জবারানিকে প্রথমে কোচবিহার, পরে আলিপুরদুয়ার জেলে রাখা হয়। স্ত্রীকে মুক্ত করতে দেবাশিস সিএএ-র অধীনে আবেদন করেন। ছ’মাস অপেক্ষার পরে অবশেষে মেলে জামিন। জবারানির আইনজীবী সুদীপ্ত মজুমদার জানান, বিচারক দশ হাজার টাকা বন্ডের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর করেছেন।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী তৃণমূলের উদয়ন গুহের প্রশ্ন, ‘‘কেউ অনুপ্রবেশ আইনে গ্রেফতার হলে তাঁর বিচার চলবে। সিএএ-তে আবেদন করলে কেউ ছাড়া পায়, এমন কিছু জানা নেই। তা হলে এ দেশ থেকে পুশব্যাক হচ্ছে কেন? সে সবের জবাব কে দেবে!’’ শীতলখুচির বিজেপি বিধায়ক বরেন বর্মণ বলেন, ‘‘সিএএ-তে আবেদন করলে যে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়া যায়, এটা তার প্রমাণ।’’

জবারানি বলেন, ‘‘নিরাপত্তার জন্য বাবা আমাকে এ দেশে রেখে গিয়েছিলেন। ছোট থেকে ভারতীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে বড় হয়েছি। নিজেকে ভারতীয়ই ভেবেছি। আজ খুব ভাল লাগছে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Mathabhanga court case police investigation

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy