ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এ বার গ্রেফতার হলেন পূর্ব মেদিনীপুরের এক সিভিক ভলান্টিয়ার। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (ছাড়পত্র) শংসাপত্র পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ঘুষ চান বলে অভিযোগ। শনিবার রাজ্যের দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেফতার হন ওই অভিযুক্ত। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরে পুলিশের ইন্টেলিজেন্স শাখার অফিসে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে আগেও ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স শংসাপত্রের বিনিময়ে ১০০০ টাকা ঘুষ চাইছিলেন বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতেন দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকেরা। তাতেই ধরা পড়ে যান অভিযুক্ত। ঘুষ নেওয়ার সময়ে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয় তাঁকে। সূত্রের খবর, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করছেন আধিকারিকেরা। সেইমতো বাকিদের বিষয়ে তথ্যসংগ্রহের জন্যও তদন্ত শুরু হয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে আরও সক্রিয় হয়েছে দুর্নীতিদমন শাখা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সরকার কোনও দুর্নীতি বরদাস্ত করবে না। রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। কোনও অবস্থাতেই তোলাবাজি ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না এবং আমরা প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভাবে দুর্নীতিমুক্ত করতে দুর্নীতির উপাদানগুলোকে নির্মূল করার ব্যাপারে দৃঢ় ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
আরও পড়ুন:
গত কয়েক মাসে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দুর্নীতিদমন শাখা অভিযান চালিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানে লরি আটকে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে পুলিশকর্মীদের সাসপেন্ড হতেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি এক যুবকের বাবার মৃত্যুর পর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হন এক সরকারি কর্মীও।