Advertisement
E-Paper

রেলস্টেশনে আটক মালদহ জেলা পরিষদের তিন সদস্য! বোর্ড গঠনের আগে উত্তেজনা, বীরভূমে বোমাবাজি

আটক হওয়া জেলা পরিষদের সদস্য ফজলু হক বলেন, ‘‘কী অভিযোগে আমাদের ধরা হল, সেটা বলা হচ্ছে না। বলছে তদন্তের স্বার্থে থানায় নিয়ে যাচ্ছে।’’

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:২১
Police detained several Zilla Parishad members in Malda

মালদহ টাউন স্টেশনে উত্তেজনা। ঘটনাস্থলে কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান চৌধুরী-সহ অন্যান্যরা। —নিজস্ব চিত্র।

মালদহ জেলা পরিষদ কার দখলে থাকবে? মঙ্গলবারই ভোটাভুটিতে তা স্থির হবে। তবে তার আগেই সোমবার গভীর রাতে মালদহ স্টেশন থেকে জেলা পরিষদে কংগ্রেস এবং তৃণমূলের তিন জন সদস্যকে আটক করল পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। কংগ্রেসের অভিযোগ, সংখ্যাগরিষ্ঠতা না-থাকায় পুলিশকে দিয়ে তাদের সদস্যদের মিথ্যা মামলায় আটক করে রাখতে চাইছে বিজেপি!

রাজ্যে পালাবদলের পরে তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মণ ঘোষ এবং সহকারী সভাধিপতি আবু তৈয়ব রফিকুল হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে দলেরই সদস্যদের একাংশ। গত ১৬ অগস্ট তলবি সভা ডেকে সভাধিপতি, সহকারী সভাধিপতিকে অপসারণ করা হয়। তার পর থেকে ওই জেলা পরিষদে সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপাতি নেই। বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। জেলা ডিভিশনাল কমিশনারকে দ্রুত ওই পদে নির্বাচনে করানোর নির্দেশ দেয় আদালত। তার পরেই ঠিক হয় মঙ্গলবার সেই নির্বাচন হবে। তবে তার আগে জেলা পরিষদের তিন সদস্যকে স্টেশন থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল।

অনাস্থা আনার পর তৃণমূলেরই কিছু সদস্য ঝাড়খণ্ডে চলে গিয়েছিলেন। প্রায় এক মাস সেখানেই ছিলেন। মঙ্গলবারের নির্বাচনের জন্য তাঁরা ট্রেনে করে মালদহ ফিরছিলেন। সঙ্গে ছিলেন মালদহের দক্ষিণ কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান চৌধুরী। অভিযোগ, মালদহে টাউন স্টেশনে আসতেই জেলা পরিষদের ওই সদস্যদের মধ্যে তিন জনকে আটক করে পুলিশ।

আটক হওয়া জেলা পরিষদের সদস্য ফজলু হক বলেন, ‘‘কী অভিযোগে আমাদের ধরা হল, সেটা বলা হচ্ছে না। বলছে তদন্তের স্বার্থে থানায় নিয়ে যাচ্ছে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। বিজেপির নেই। সেই কারণে আমাদের সদস্যদের পুলিশকে দিয়ে আটক করাচ্ছে।’’ একই অভিযোগ তুলেছেন ইশা এবং কংগ্রেসনেত্রী মৌসম বেনজির নুরও। ইশার দাবি, সুষ্ঠু ভাবে সব সদস্যেরা যাতে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে পুলিশ কোনও কারণ না-দেখিয়েই আটক করছে। কংগ্রেস নেতৃত্বের কথায়, ‘‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চাইছে, মানুষ এর জবাব দেবে।’’

অন্য দিকে, বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লকের তারাপীঠ থানার অন্তর্গত বুধিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান গঠনকে ঘিরে উত্তেজনা। ওই পঞ্চায়ের ২৪ আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে ন’টি। বাকি ১৫টি আসন কংগ্রেস, তৃণমূল এবং নির্দলদের ঝুলিতে। রাজ্যে পালাবদলের পর ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে কয়েক জন সদস্য। সেই কারণে নতুন প্রধান কে হবেন, তার নির্বাচন ছিল মঙ্গলবার। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হলেও ওই এলাকায় সকাল থেকেই বোমাবাজির অভিযোগ। বিজেপির জেলা কমিটির এক সদস্যের দাবি, সকাল থেকে ওই এলাকায় পর পর ছ’টি বোমা ফাটানো হয়েছে। তার ফলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির দাবি, আতঙ্কে তাঁদের পঞ্চায়েত সদস্যেরাই ভোটে উপস্থিত হতে পারছেন না।

Malda Zila Parishad Congress BJP TMC

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy