বোলপুরে বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনার দু’দিন পর দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম শেখ আনারুল এবং দীপঙ্কর রায়। মঙ্গলবার তাঁদের বোলপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অনুমান, রাজনৈতিক নয়, জমি সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিবাদে খুন হয়েছেন বিজেপির বুথ সভাপতি চন্দন ভাল্লা।
রবিবার সন্ধ্যায় বোলপুরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মতিপুকুর রাইস মিল সংলগ্ন রাস্তায় খুন হন চন্দন। পরিবারের দাবি ছিল, ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কী কারণে তিনি খুন হতে পারেন, সে সম্পর্কে তথ্য দিতে পারেনি তারা। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যে দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তাঁদের মধ্যে আনারুল পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। বোলপুরের আরতি মোড়ে তাঁর মোবাইলের দোকান। অপর অভিযুক্ত দীপঙ্কর জমি কেনাবেচার দালালি করেন। বিজেপি নেতার খুনের প্রাথমিক তদন্তে জমি সংক্রান্ত লেনদেন এবং বিবাদের কথাই উঠে এসেছে বলে খবর বীরভূম জেলা পুলিশ সূত্রে খবর। তবে শুধু জমি নয়, আরও কিছু কারণ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। চলছে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ।
আরও পড়ুন:
ধৃত দুই ব্যক্তি খুনের ষড়যন্ত্রকারী বলে সন্দেহ পুলিশের। শুটার বা যে সুপারি নিয়ে খুন করেছে, তাকে এখনও ধরা যায়নি। ফলে খুনের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, থাকলে তাঁদের ভূমিকা কী, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। বীরভূম জেলার পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশ বলেন, ‘‘ধৃত দু’জনেই বোলপুরের বাসিন্দা। তদন্ত চলছে। এখনও মোটিভ জানা যায়নি। ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া গিয়েছে। দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু এখন বলা সম্ভব নয়।’’