E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বরাদ্দ ২০ কোটি, মুকুটমণিপুরের উন্নয়নে পরিকল্পনা তৈরিতে নির্দেশ

মুকুটমণিপুরে রোপওয়ে চালুর কথা ঘোষণা করেছিলেন ক্ষুদিরাম। পরে মুকুটমণিপুরে হুল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ছোট চিড়িয়াখানা তৈরিতে উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেন। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মুকুটমণিপুরে বড় মাপের ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ অগস্ট ২০২৬ ০১:০৯

—প্রতীকী চিত্র।

মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নে বরাদ্দ করা হবে প্রায় ২০ কোটি টাকা। তার জন্য জেলা প্রশাসনকে পরিকল্পনা বানাতে নির্দেশ দিল রাজ্য। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্য পর্যটন দফতরের তরফে ওই নির্দেশ আসার পরে বৃহস্পতিবার খাতড়া মহকুমাশাসকের অফিসে বৈঠক হয়। ‘ভার্চুয়াল’ মাধ্যমে ওই বৈঠকে যোগ দেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা রানিবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু। ছিলেন বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত, খাতড়ার মহকুমাশাসক তাপস ভট্টাচার্য প্রমুখ। জেলাশাসক বলেন, “মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রের প্রায় ৮৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় কোথায় কী রয়েছে, তা নিয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের কাছে। পর্যটন দফতরের নির্দেশমতো পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।”

এর আগে মন্ত্রিত্ব পেয়ে জেলায় ফিরে মুকুটমণিপুরে রোপওয়ে চালুর কথা ঘোষণা করেছিলেন ক্ষুদিরাম। পরে মুকুটমণিপুরে হুল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ছোট চিড়িয়াখানা তৈরিতে উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেন। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মুকুটমণিপুরে বড় মাপের ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মুকুটমণিপুরে বর্তমানে যে হরিণ উদ্যান রয়েছে, সেখানেই চিড়িয়াখানাটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যটনস্থল থেকে জলাধার পার করে হরিণ উদ্যানে যেতে নৌকা ব্যবহার করতে হয়। এ বার সেখানেই রোপওয়ে তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। শীঘ্রই রোপওয়ে নিয়ে সমীক্ষা করতে একটি সংস্থার আসার কথা মুকুটমণিপুরে। পাশাপাশি, পর্যটনস্থল লাগোয়া প্রায় ৪২ একর জমি চিহ্নিত হয়েছে ইকো ট্যুরিজম পার্ক গড়ার জন্য। সেখানে একটি আদিবাসী সংগ্রহশালা ও পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া, মুকুটমণিপুর জলাধার লাগোয়া একটি টিলায় উদ্যান রয়েছে। সেখানে বড় মাপের নজর মিনার তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের মত, পর্যটকের সংখ্যা বাড়াতে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে রেল যোগাযোগ গড়ে তোলা জরুরি। তা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকেও আলোচনা হয়। রাজ্যে পালাবদলের পরে ছাতনা-মুকুটমণিপুর রেলপথের কাজ নতুন করে শুরু করতে জোর দেওয়া হয়েছে। জমি-জটে আটকে থাকা ওই রেলপ্রকল্প নিয়ে নতুন করে সমীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্তও নিয়েছে রেল। জেলাশাসক বলেন, “ওই কাজে গতি আনতে রেল পদক্ষেপ করছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলে আমরা আশাবাদী।” মন্ত্রী ক্ষুদিরাম বলেন, “মুকুটমণিপুরকে আদর্শ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। শীঘ্রই মানুষ নতুন রূপে পর্যটনকেন্দ্রকে দেখতে পাবেন। রেলপথের কাজে গতি আনতে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে।”

উত্তরীয়-চর্চা

বরাবাজার: বান্দোয়ানের বিজেপি বিধায়ককে তৃণমূল নেতার উত্তরীয় পরানোর ঘটনায় জল্পনা ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার বরাবাজারের সিন্দরীতে বান্দোয়ানের বিজেপি বিধায়ক লবসেন বাস্কেকে উত্তরীয় পরান বরাবাজার ব্লক তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা সিন্দরী পঞ্চায়েতের প্রধান বিশ্বজিৎ মাহাতো। ওই পঞ্চায়েত ভবনেই ভিবি-জি রামজি যোজনার ‘পঞ্চ সম্মেলন’-এ এসেছিলেন বিজেপি বিধায়ক। এটি ‘নরম দলবদলের লক্ষণ’ বলে কটাক্ষ করেছেন বরাবাজারের সিপিএম নেতা কুদ্দুস আনসারী। তবে অনেকের মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিধায়ক এলাকায় এলে প্রথা মেনে পঞ্চায়েত প্রধানের তাঁকে স্বাগত জানানো স্বাভাবিক।যদিও তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত প্রধান বিশ্বজিতের দাবি, ‘‘সরকারি অনুষ্ঠানে বিধায়ককে পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে উত্তরীয় পরিয়ে সংবর্ধনা জানিয়েছে। এখানে রাজনীতি নেই।’’ বিজেপি বিধায়ক লবসেনেরও একই বক্তব্য। তাঁর কথায়, ‘‘ওটা সরকারি অনুষ্ঠান ছিল, রাজনৈতিক মঞ্চ ছিল না।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
tourism Development

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy