Advertisement
E-Paper

টুলু-কাণ্ডের প্রেক্ষিতে বীরভূমের ৮টি পাথর খাদান বন্ধের নোটিস প্রশাসনের! হানা মহম্মদবাজার থেকে রামপুরহাটে

মহম্মদবাজার এলাকায় ন’টি খাদানে একই ধরনের নোটিস জারি করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের দুই প্রতিনিধি এলাকা পরিদর্শন করেন। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, নোটিস টাঙানোর পরেরও বেশ কয়েকটি খাদানে আগের মতোই কাজ চলছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অগস্ট ২০২৬ ১৬:৩৮
Mines

বীরভূমের ‘অবৈধ’ পাথর খাদানে অভিযান চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। —নিজস্ব চিত্র।

নজরে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের নানাবিধ আর্থিক কার্যকলাপ। সেই প্রেক্ষিতে প্রশাসনের নজরে বীরভূম জেলার নানা অবৈধ খাদান। জেলার একের পর এক পাথর খাদান বন্ধ করতে নোটিস পাঠানো শুরু হয়েছে। শনিবারই আটটি ‘অবৈধ’ খাদান বন্ধ করার নোটিস জারি করল জেলা প্রশাসন।

নোটিস দেওয়া আটটি পাথর খাদানই বীরভূমের মহম্মদবাজার এবং রামপুরহাট এলাকায়। টুলুর পাথর ব্যবসায় অবৈধ লেনদেনের হদিস মেলার পরেই প্রশাসনের এ হেন পদক্ষেপ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। মহম্মদবাজার ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক আনন্দ বিশ্বাসের নেতৃত্বে দেওয়ানগঞ্জ মৌজায় টুলুর আত্মীয় আপেল মোর্তাজার পাথর খাদানে বন্ধের নোটিস টাঙানো হয়েছে। এ ছাড়া মনোজ টুডু, শেখ করিবুল, সারতাজ মোল্লা, সুনীল সোরেন ও শুভধন টুডু প্রমুখ বীরভূম জেলার ব্যবসায়ী মহলে পরিচিত নাম যাঁরা, তাঁদের খাদানও বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

চান্দা মৌজায় তারক টুডু এবং অনিল কিস্কুর খাদানে গিয়েছিলেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। হাটগাছা মৌজায় বুধন মারান্ডির খাদানেও অভিযান হয়েছে। তাঁদের সবক’টি খাদান অবৈধ বলে সরকার থেকে নোটিস জারি করা হয়েছে। রামপুরহাট-১ ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুমন বিশ্বাস একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে চারটি খাদানে অভিযান চালিয়েছিলেন। চাঁদপুর মৌজায় সাফাউদ্দিন শেখ, জসিমউদ্দিন শেখ এবং প্রিয়তোষ কর্মকারের খাদানে নোটিস ঝোলানো হয় সুমনের নেতৃত্বে। একপাড়া মৌজায় মিলন শেখের খাদানও বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

গত মাসেও মহম্মদবাজার এলাকায় ন’টি খাদানে একই ধরনের নোটিস জারি করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের দুই প্রতিনিধি এলাকা পরিদর্শন করেন। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, নোটিস টাঙানোর পরের দিনও বেশ কয়েকটি খাদানে আগের মতোই কাজ চলছিল। স্থানীয়েরা বলছেন, এ বার প্রশাসন কতটা দৃঢ় পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।

উল্লেখ্য, একদা তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পাথর ব্যবসায়ী টুলু এখন বিদেশে। গত বুধবার নগদ সাড়ে ২৮ কোটি টাকা উদ্ধার হয় তাঁর তুতো ভগ্নিপতি মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে। প্রায় ১৫ কেজি সোনাও মেলে। পরের দিন সকালে টুলুর আত্মীয়, পেশায় ব্যবসায়ী মিনারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস জানার চেষ্টায় পুলিশ। এর মধ্যে নেপাল যাওয়ার পথে টুলুর ভাগ্নে শেখ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Stone Mine Birbhum Tulu Mondal Mine

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy