Advertisement
E-Paper

বাঁকুড়ায় প্রথম পঞ্চায়েত সমিতির দখল নিল পদ্ম! চেয়ারে গঙ্গাজল ছিটিয়ে বসলেন নবনির্বাচিত সভাপতি এবং সহ-সভাপতি

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির ২৮টি আসনের মধ্যে ৮টিতে জিতেছিল বিজেপি। ২০টিতে বিজয়ী হয় তৃণমূল। সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে স্বাভাবিক নিয়মে পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করেছিল পূর্বতন শাসকদল। কিন্তু ভোটের পর চিত্রবদল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:১৭
Sonamukhi Panchayat Samiti

বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নবনির্বাচিত বাঁকুড়ার সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং সভাধিপতি। —নিজস্ব চিত্র।

পুজোর আগে বাঁকুড়ায় একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছে বিজেপি। পুজোর মুখে বাঁকুড়া জেলায় প্রথম পঞ্চায়েত সমিতিও চলে গেল পদ্মের খাতায়।

বুধবার সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির ভোটাভুটিতে সভাপতি নির্বাচিত হন বিজেপির কুন্তল কোনার। সহ-সভাপতি হন মমতা আঁকুড়ে। ভোটাভুটি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর গঙ্গাজল ছিটিয়ে পঞ্চায়েত সমিতি ‘শুদ্ধিকরণ’ করে নির্দিষ্ট আসনে বসতে দেখা যায় নবনির্বাচিত সভাপতি এবং সহ-সভাপতিকে।

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির ২৮টি আসনের মধ্যে ৮টিতে জিতেছিল বিজেপি। ২০টিতে বিজয়ী হয় তৃণমূল। সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে স্বাভাবিক নিয়মে পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করেছিল পূর্বতন শাসকদল। কিন্তু ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য সরকারে পালাবদলের পর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুশল বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি অন্তরা বাগদি পদ থেকে ইস্তফা দেন। রাজ্য সরকারের পালাবদলের পর থেকে সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে থাকা একের পর এক তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত পদ্মশিবিরের দখলে আসতে থাকে। তবে কয়েক মাস ধরে সোনামুখী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদ শূন্যই পড়েছিল। অচলাবস্থা কাটাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং সহ-সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য বুধবার দিন স্থির করেছিল বিষ্ণুপুর মহকুমা প্রশাসন। বুধবার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচিত হন বিজেপি সদস্য কুন্তল। সহ-সভাপতি হন বিজেপির মমতা। প্রথমেই গঙ্গা জল ছিটিয়ে আসনে বসেন দু’জন। তার পর আবির মেখে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে মাতেন। নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, ‘‘দেবীপক্ষে আমাদের দল গ্রামের অধিকার গ্রামের মানুষকেই ফিরিয়ে দিল। তৃণমূলের পূর্বতন সভাপতি সোনামুখী শহরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গ্রামের মানুষের দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণা বুঝতেন না। আমি গ্রামের মানুষ। কৃষক পরিবারের সন্তান। পঞ্চায়েত সমিতির সকল সদস্যকে নিয়ে গ্রামের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন করব।’’

সোনামুখীর বিধায়ক তথা রাজ্যের বন, পরিবেশ ও সমবায় দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী দিবাকর ঘরামি বলেন, ‘‘রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল পরিচালিত এই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদত্যাগ করায় অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে আজ দুর্নীতিমুক্ত এবং স্বচ্ছ পঞ্চায়েত সমিতি গঠন হল।’’ প্রতিক্রিয়ার জন্য তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক সুখেন বিদকে একাধিক বার ফোন করা হয়েছিল। তিনি ফোন ধরেননি। মেসেজেরও জবাব আসেনি।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy