E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ডেঙ্গি কম হলেও তৎপর প্রশাসন

স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, গত ছ’বছরে ডেঙ্গি আক্রান্তদের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়নি বীরভূম স্বাস্থ্য জেলায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৩৩
ডেঙ্গি রুখতে নর্দমায় মশার লার্ভা মারার স্প্রে। সোমবার মহম্মদবাজার থানার সামনে।

ডেঙ্গি রুখতে নর্দমায় মশার লার্ভা মারার স্প্রে। সোমবার মহম্মদবাজার থানার সামনে। ছবি: পাপাই বাগদি।

ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা অন্য বারের তুলনায় কম হলেও দুবরাজপুরে ডেঙ্গি আক্রান্ত এক মহিলার মৃত্যুর পরে তৎপরতা বেড়েছে বীরভূমে। ডেঙ্গি রুখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সাফাই অভিযানও চলছে। সোমবার দুবরাজপুর পুর-এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘোরেন পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা। খোঁজ নেন, বাড়িতে জ্বরে আক্রান্ত কেউ আছেন কিনা। সঙ্গে ডেঙ্গি সচেতনতার লিফলেট বিলি করছেন।

স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, গত ছ’বছরে ডেঙ্গি আক্রান্তদের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়নি বীরভূম স্বাস্থ্য জেলায়। কিন্তু, বৃহস্পতিবার সিউড়ি জেলা হাসপাতালে দুবরাজপুরের চিৎগ্রামের বাসিন্দা খাইরুন বিবি (৪৯) নামে ডেঙ্গি আক্রান্ত এক মহিলার মৃত্যুর পরে সতর্ক স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক জনের মৃত্যু হলেও এ পর্যন্ত জেলার ডেঙ্গি-চিত্র গত বারের তুলনায় ভাল। বীরভূম স্বাস্থ্য জেলা সূত্রে খবর, গত বছর জানুয়ারি থেকে অগস্ট পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২২০। এ বার সেই সংখ্যা ১২৫। রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৭। গত বার ছিল ২২৬ জন।

প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, দুবরাজপুরে ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু এবং মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার পরে গ্রামীণ এলাকা ও শহরে ডেঙ্গি রোধে নজরদারি অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের কাজ জ্বরের সমীক্ষা এবং রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বীরভূম ও রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার ডেপুটি সিএমওএইচ-২, মৃণালকান্তি ঘোষ ও প্রকাশ রায়। রামপুরহাটের ডেপুটি সিএমওএইচ-২ জানান, আশাকর্মীরা সব বাড়িতে যাচ্ছেন। কারও দু’দিনের বেশি জ্বর হলে, ম্যালেরিয়া এবং প্রয়োজনে ডেঙ্গি নির্ণায়ক পরীক্ষা করানো হচ্ছে। হাসপাতালে ফিভার ক্লিনিক চলছে। গ্রামীণ এলাকায় জ্বরের রোগী দেখতে শিবির হচ্ছে। তবে, গত পাঁচ বছরে রামপুরহাটে ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর নেই বলে স্বাস্থ্য দফতরের দাবি।

পুর-এলাকার মশা দমনের দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য নগরোন্নয়ন সংস্থা (সুডা)। তাদের তরফে মশার বংশবৃদ্ধি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। প্রতিটি পঞ্চায়েতে একটি করে ভিসিটি বা ভেক্টর কন্ট্রোল টিম রয়েছে। তাদের কাজ, পঞ্চায়েত এলাকাজুড়ে নিকাশি নালা পরিচ্ছন্ন রাখা। মশার লার্ভা ধ্বংসে রায়াসনিক এবং দূষণ রোধে চুন-ব্লিচিং ছড়ানো। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরে শহর ও গ্রামাঞ্চলে মশার লার্ভা দমনে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Birbhum Dengue

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy