বিশ্বকর্মা পুজো মিটতেই আশ্বিনের প্রথম রবিবারে বাঁকুড়ায় জমল দুর্গাপুজোর বাজার। তবে পুরুলিয়ার বাজার তেমন জমল না।
এমনিতে রবিবার বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর শহরের দোকানপাট বন্ধ থাকলেও ফি বছর দুর্গাপুজোর এক মাস আগে থেকে এই দিনেও সব খোলা থাকে। এ দিন দুপুরের দিকে জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও তার পরে ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করেই চলে কেনাকাটা। বিকেলের পরে শহরের সুভাষ রোডে শাড়ির দোকানগুলিতে ঠাসা ভিড় ছিল। বাঁকুড়া শহরবাসী মণি দত্ত বলেন, “যেমন ভিড়, তেমন গরম। দোকানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র চললেও মাত্রাতিরিক্ত ভিড়ে তা কাজ করছে না।”
বাঁকুড়ার বধূ শুক্লা গোস্বামী বলেন, “এত ভিড় যে দোকানে ঢোকা দায়।” শুরু থেকেই ক্রেতাদের এই ভিড় আশা জোগাচ্ছে ব্যবসায়ীদের। শহরের একটি নামজাদা শাড়ির দোকানের মালিক কৌশিক কুন্ডু বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে পুজোর ভিড় হচ্ছে। আশ্বিনের প্রথম রবিবার হিসেবে আশানুরূপ ভিড় হল।”
বিষ্ণুপুরের চকবাজারের এক রেডিমেড পোশাকের ব্যবসায়ী বলেন, “বৃষ্টিতে তাল কাটার আশঙ্কা করেছিলাম। তবে দিনের শেষে বাজার খুব ভাল জমেছে।”
অন্য দিকে, ঝিরঝিরে বৃষ্টি ও কুর্মিদের সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে পুরুলিয়ায় বাজার-হাটে এ দিন তেমন লোকজন দেখা যায়নি। যদিও ব্যবসায়ীদের মতে, অন্য বছরেও পুজোর এত দিন আগে থেকে পুরুলিয়ার বাজার জমে না। এ দিন পুরুলিয়া শহরের বস্ত্র ও শাড়ি বিপণিগুলি খোলা থাকলে ভিড় ছিল না বললেই চলে।
ঝালদা শহরের আনন্দবাজার এলাকার শাড়ি ব্যবসায়ী দীনেশ সিংহীর কথায়, “ক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। তবে সেটাকে পুজোর বাজার বলা যায় না।” মাসের শেষে বা আগামী মাসের পয়লা তারিখে বাজার জমবে বলে আশাবাদী ব্যবসায়ীরা। রঘুনাথপুর নতুন বাজারের ব্যবসায়ী অজিত মাঝির আশা, “কয়েক দিন গেলে বাজার ঠিকই জমবে।”