পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজের সদর ক্যাম্পাসে লিফ্টের কাছ থেকে হঠাৎ জোরালো শব্দ। ছুটে যান নিরাপত্তারক্ষীরা। তার পরের দৃশ্যের জন্য কেউ তৈরি ছিলেন না। অভিযোগ, হাসপাতালের চারতলা থেকে লিফটের দরজা খুলে ফাঁকা জায়গায় ঝাঁপ দেন এক যুবক। উদ্ধার করতে ছোটেন পুলিশ এবং দমকলকর্মীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজেই ভর্তি করানো হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, জখম যুবকের বাড়ি পুরুলিয়ার আড়ষা থানা এলাকায়। তিন দিন আগে হাসপাতালে তাঁর স্ত্রী কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এখনও হাসপাতালে রয়েছেন। রবিবার ওই যুবক লিফ্ট খুলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ।
পরিবার এবং হাসপাতালের একটি সূত্রে খবর, স্ত্রী কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই মনমারা ছিলেন যুবক। একাধিকবার তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। নিজেই নিজের মাথা ফাটিয়ে এর আগে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। খোঁজখবর করে পুলিশ জানতে পেরেছে, রবিবার ওই যুবক মত্ত অবস্থায় ছিলেন। কন্যাসন্তান জন্মানোয় তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তা ছাড়া অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, এই ঘটনার পর পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পুরুলিয়া মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি সুকমল বিষই বলেন, ‘‘লিফটের গেট ভেঙে এক যুবক ঝাঁপ দিয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। বাকিটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’’