E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

স্বচ্ছতা অভিযানে গিয়ে দূষণ-সমস্যা শুনলেন মন্ত্রী

বাসিন্দাদের দাবি, তীব্র দুর্গন্ধের পাশাপাশি বর্জ্য নদীতে গিয়ে পড়ায় কংসাবতীর জলও দূষিত হচ্ছে। পাটপুর, কেচন্দা, মেট্যালা-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা ওই নদীর জল ব্যবহার করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ০০:২৯
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

‘স্বচ্ছতা হি সেবা’ কর্মসূচিতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দূষণ নিয়ে ক্ষোভের কথা শুনলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। বৃহস্পতিবার খাতড়ার কেচন্দায় কংসাবতী নদীঘাট এলাকায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়েছিলেন তাঁরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজার থেকে সংগ্রহ করা পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য সেখানে এনে ফেলা হলেও নিয়ম মেনে তার প্রক্রিয়াকরণ হয় না। ফলে প্রকল্প চত্বর-সহ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ছে আবর্জনা। দূষিত হচ্ছে পাশের কংসাবতী নদীও। মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, ‘‘পাঁচ মাস নতুন সরকার এসেছে। আগামী দিনে এই প্রকল্পে নতুন যন্ত্র এনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ করা হবে। এলাকা দূষণমুক্ত করতে যা যা করণীয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’

সেবা সংকল্প অভিযানে এ দিন মুকুটমণিপুর পর্যটন কেন্দ্রে সাফাই অভিযান হয়। পরে মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু, অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন মাইতি, মহকুমাশাসক (খাতড়া) তাপস ভট্টাচার্য কেচন্দার কংসাবতী নদীর ঘাটে ওই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে যান। সেখানে বর্জ্য সংগ্রেহের কাজে যুক্ত কর্মীদের বিশেষ কিট দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা জবা মাহাতো ও কল্যাণী মাহাতোরা অভিযোগ করেন, ‘‘কয়েকটি যন্ত্র থাকলেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ হয় না। প্রকল্প এলাকায় কোনও পাঁচিলও নেই। ফলে যেখানে-সেখানে আবর্জনা পড়ে থাকে। কয়েকমাস আগে এখানে বিষাক্ত জিনিস খেয়ে চারটি গরু মারা যায়। বাইরে থেকে মৃত সদ্যোজাতের দেহও এখানে ফেলে দেওয়া হয়। পরে কুকুর দেহ টেনে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়।’’ বাসিন্দাদের দাবি, তীব্র দুর্গন্ধের পাশাপাশি বর্জ্য নদীতে গিয়ে পড়ায় কংসাবতীর জলও দূষিত হচ্ছে। পাটপুর, কেচন্দা, মেট্যালা-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা ওই নদীর জল ব্যবহার করেন। অনেকের চর্মরোগও হচ্ছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন মাইতি বলেন, ‘‘আড়াই বছর ধরে স্বচ্ছ ভারত মিশনে বাঁকুড়া জেলায় কোনও কাজ হয়নি। তবে বর্তমান সরকার কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন ও প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে পঞ্চায়েত দফতরকে সঙ্গে নিয়ে নতুন করে কাজের উদ্যোগী হয়েছে। আগামী ছ’মাসের মধ্যে এই এলাকায় পরিবর্তন হবে বলে আশা করছি।’’

চালু মা আহার

সোনামুখী: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পরে বৃহস্পতিবার চালু হল সোনামুখী গ্রামীণ হাসপাতাল সংলগ্ন মা আহার কেন্দ্র। পুরসভার এগজ়িকিউটিভ অফিসার শৈবাল মিশ্র বলেন, “ভবন মেরামত, দরপত্রের প্রক্রিয়া-সহ নানা কারণে কেন্দ্রটি বন্ধ ছিল।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Air pollution Khatra

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy