Advertisement
E-Paper

নানুরে ‘শহিদ দিবস’ পালনে গিয়ে ডিম বর্ষণের মুখে পড়লেন কাজল! হাসনের বিধায়ককে ‘গরু ও কয়লা চোর’ কটাক্ষ

ভোটে জেতার পরে মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাপতি তথা বিধায়ক কাজল ওরফে ফয়েজ়ুল হক। সোমবার, ২৭ জুলাই নানুরের বাসাপাড়ায় ‘শহিদবেদি’তে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২৬ ১৪:১৮
Kajal Sheikh

‘শহিদ বেদি’তে মাল্যদানের সময় বিক্ষোভের মুখে হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ। —নিজস্ব চিত্র।

একদা যে নানুর লালমাটিতে তৃণমূলের ভিত শক্ত করেছিল, সেখানেই এ বার বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ঘাসফুল প্রতীকে জেতা কাজল শেখ। সেটাও আবার ‘শহিদ দিবস’-এ! কাজলকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়লেন একদল লোক। উঠল ‘কাজল চোর-কাজল চোর’ স্লোগানও।

ভোটে জেতার পরে মমতা-অভিষেকের হাত ছেড়ে ঋতব্রত তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাপতি তথা বিধায়ক কাজল ওরফে ফয়েজ়ুল হক। সোমবার, ২৭ জুলাই নানুরের বাসাপাড়ায় ‘শহিদবেদি’তে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মাল্যদান করার সময় তাঁর দিকে ডিম ছোড়ে একদল লোক। কাজলের পাশে ছিলেন নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি। দু’জনকেই কটাক্ষ করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। কাজল গাড়িতে ওঠার সময়েও কাঁচা ডিম ছোড়া হয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কাজলের দাবি, ‘‘যাঁরা ডিম ছুড়েছেন, তাঁদের কখনও রাজনীতিতে দেখিনি। ওঁরা সমাজবিরোধী। শহিদ মঞ্চকে অসম্মান করেছেন।’’ পাশাপাশি পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে ‘দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ’ করবে বলে আশাবাদী ঋতব্রত তৃণমূলের বিধায়ক। অন্য দিকে, বিক্ষোভকারীরা কালীঘাট তৃণমূল না কি বিজেপি, পরিষ্কার করেননি।

২০০০ সালের ২৭ জুলাই নানুরের সূচপুর ও বাসাপাড়ায় ১১ জন ভূমিহীন খেতমজুর এবং তৃণমূলকর্মী নিহত হন। তাঁদের স্মরণে প্রতি বছরই ‘শহিদ দিবস’ পালিত হয় নানুরে। ২০০১ সালে বাসাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে ‘শহিদবেদি’ তৈরি করে সমাবেশের আয়োজন করতে শুরু করে তৃণমূল। রাজ্যস্তরের নেতাদের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় প্রতি বছর ওই সমাবেশে উপস্থিত থাকতেন।

২০০৩ সালের নির্বাচনে সারা রাজ্যে মুষ্টিমেয় যে কয়েকটি পঞ্চায়েত তৃণমূল জিততে পেরেছিল তার মধ্যে নানুরের থুপসড়া অন্যতম। সুচপুরে নিহত ১১ জন খেতমজুরের মধ্যে ১০ জনই ছিলেন থুপসড়া পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। আগে ‘শহিদ সমাবেশ’ পরিচালনার দায়িত্বে থাকতেন অনুব্রত মণ্ডল। পরে কাজলের উপর সেই দায়িত্ব বর্তায়। সোমবার সেখানেই ‘বালি-কয়লা-গরু চোর’ বলে কটাক্ষ করা হল কাজলকে। অপমানিত বিধায়ক জানিয়েছেন, তিনি আশা করেন, বিক্ষোভের নামে সমাজবিরোধী কার্যকলাপগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবে পুলিশ।

Kajal Sheikh Birbhum

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy