প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় অন্তর্ভুক্তির সময় বাড়ানোয় ইতিবাচক সাড়া মিলল। ১৫ সেপ্টম্বর ছিল ফসল বিমায় আবেদনের শেষ তারিখ। কৃষি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেল পর্যন্ত এক লক্ষ চুরাশি হাজারের মতো কৃষক ফসল বিমায় নথিভুক্ত হয়েছেন। আবেদনের সংখ্যা অনেক বেশি।
জেলা কৃষি উপ-অধিকর্তা (প্রশাসন) সুশান্ত নষ্কর জানিয়েছেন, সংখ্যাটা আরও বাড়বে। এ ছাড়া যে সব কৃষক ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছেন তাঁদের প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তাঁদের আরও ১৫ দিন বর্ধিত সময় দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৃষ্টিপাতের তারতম্য, কীটপতঙ্গ বা রোগের জেরে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেই ক্ষতি সামলাতে ভরসা ফসল বিমা যোজনা। চলতি মরসুমে খরিফ চাষে (ধান চাষ,আমন, আউস) ক্ষতি এড়াতে ফসল বিমার আওতায় সব চাষিকে অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছিল কৃষি দফতর ও সরকার। যে চাষির নিজের নামে জমি রয়েছে বা অন্যের জমি চাষ করেন সকলেই বিমার আওতায় আসার যোগ্য।
পালাবদলের পরে তৃণমূল আমলের বাংলা শস্য বিমা বদলে এ বার চালু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা। উল্লেখ্য, বিগত সরকারের আমলে শস্য বিমা কোনও প্রিমিয়াম চাষিকে দিত হত না। তবে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় খুব সামান্য পরিমাণ টাকা দিতে হবে চাষিকে। এক হেক্টর জমিতে (সাড়ে সাত বিঘা) চাষের জন্য চাষিকে ১ টাকা দিতে হবে। অতিরিক্ত প্রতি একর( তিন বিঘার থেকে সামান্য বেশি) জমির জন্য ১০০ টাকা করে দিতে হবে চাষিকে।
প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমায় আবেদনের পূর্বনির্ধারিত ১৫ অগস্ট থেকে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত সময়ে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৩৫৫টি ফর্ম চাষিদের হাতে পৌঁছেছিল। অথচ জেলায় চাষিদের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ। এই সময়কালে সব চাষিকে বিমার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব নয়, আন্দাজ করেই সময়সীমা ১৫ দিন বাড়ানো হয়। তাতেই ছবিটা বদলেছে।