Advertisement
E-Paper

আইএসআই-যোগ সন্দেহে পাক নাগরিক গ্রেফতার হাবড়ায়, সূত্র ধরে কলকাতায় পাকড়াও এক! নজর ছিল সেনা ও রেলের উপর

ধৃত পাক নাগরিকের নাম ওয়াহাব আলম ওরফে রানা রউফ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কলকাতার তপসিয়া থেকে মহম্মদ ইজাজ নামের এক যুবককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০২৬ ১০:৪৭
জঙ্গিযোগের সন্দেহে দু’জনকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।

জঙ্গিযোগের সন্দেহে দু’জনকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। —প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

স্বাধীনতা দিবসের আগে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার সন্দেহভাজন পাক নাগরিক। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে পাকিস্তানের ওই নাগরিককে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। ওই ব্যক্তির নাম ওয়াহাব আলম ওরফে রানা রউফ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কলকাতার তপসিয়া থেকে মহম্মদ ইজাজ নামের এক যুবককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, রানার ‘শাগরেদ’ হিসাবে কাজ করতেন ইজাজ।

প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এই দু’জনের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীদের একটি সূত্রের দাবি, রানা পাক সেনার সঙ্গে যুক্ত। আইএসআই-এর হ্যান্ডলার হিসাবে তিনি কাঠমান্ডু হয়ে ভারতে ঢুকেছিলেন। আগেও বেশ কয়েকবার তিনি ভারতে ঢুকেছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের সূত্র মারফত এ-ও জানা গিয়েছে যে, তপসিয়া এলাকায় বসবাস করতেন ওয়াহাব আলম ওরফে রানা। সেখানে টুকটাক কাজ করতেন। ওয়াহাব নাম নিয়ে আধার কার্ড-সহ বেশ কয়েকটি ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করেন তিনি। এ কাজে রানাকে সাহায্য করেছিলে ইজাজ।

তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পাক গুপ্তচর সংস্থার ‘হ্যান্ডলার’ হিসেবে মূলত কাঠমান্ডু থেকেই কাজকর্ম চালাতেন রানা। তবে কাজের জন্য প্রায়ই ভারতে আসতেন। সম্প্রতি কাঁকড়ভিটা সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকেন তিনি। মূলত ভারতের সেনাবাহিনী এবং রেল পরিকাঠামোর উপর নজর রেখে তথ্য সংগ্রহ করতেন রানা। সেই তথ্য পাকিস্তানে পাঠানো হত। এর বাইরে রানা কোনও নাশকতামূলক কাজের ছক কষেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই জঙ্গিযোগের কারণে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডল নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। হামিমের পাশাপাশি তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংহ ওরফে রাজ নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, আইএসআই এবং পাকিস্তানের কুখ্যাত গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁদের। জঙ্গি নাশকতামূলক কাণ্ড ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল পশ্চিমবঙ্গে। নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরে তদন্তে উঠে আসে যে, অর্পিতাকে ‘হানিট্র্যাপ’ হিসাবে ব্যবহার করা হত। নেতা-মন্ত্রী এবং আমলাদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেন অর্পিতা। এ বার আইএসআই-যোগে গ্রেফতার হলেন আরও এক সন্দেহভাজন।

ISI Terrorist Pakistan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy