Advertisement
E-Paper

‘ডেথ আর বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া সব দিয়ে এসেছি’, আট ঘণ্টা পরে ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে বললেন মদন

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল ইডি। এর আগে তাঁর স্ত্রী এবং দুই পুত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বুধবার মদন সিজিও কমপ্লেক্সে ছিলেন আট ঘণ্টা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ ২৩:১৪
ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে মদন মিত্র। বুধবার রাতে।

ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে মদন মিত্র। বুধবার রাতে। —নিজস্ব চিত্র।

ইডি-র সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করেছেন। আট ঘণ্টা পরে সল্টলেকের দফতর থেকে বেরিয়ে এমনটাই জানালেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। আরও এক বার দাবি করলেন, তিনি কোনও বেআইনি কাজ বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। তাঁর পরিবারের কেউও তেমন কিছু করেননি বলে বিশ্বাস করেন।

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল ইডি। এর আগে তাঁর স্ত্রী এবং দুই পুত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ মদন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে যান। সেখান থেকে বেরিয়েছেন রাত ৮টা নাগাদ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি বলেন, ‘‘সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। মুখে বলেছি, লিখিতও দিয়েছি। ইডির সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছি। ডেথ আর বার্থ সার্টিফিকেট ছাড়া সব দিয়ে এসেছি।’’

ইডির দাবি, নগদ অর্থ কিংবা সোনাদানার বিনিময়ে টিটাগড় পুরসভায় চাকরি পেয়েছিলেন অন্তত ১২৫ জন। সেই সূত্রেই মদনের নাম উঠে এসেছে। তাঁর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশিও চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। মদনের বক্তব্য, ‘‘আমি জ্ঞানত কোনও অপরাধ বা বেআইনি কাজ করিনি। কোনও দুর্নীতির সঙ্গে আমি জড়িত নই। পরিবারের কথা আমি বলতে পারব না। কারণ, তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত রয়েছে। তাই আমি আমার কথা বলছি। তবে যত দূর জানি, আমার পরিবারেরও কেউ দুর্নীতিতে যুক্ত নয়। আমি বিশ্বাস করি তাঁরা কোনও দুর্নীতি করেননি।’’

মদন মনে করেন, যে কোনও অভিযোগেই ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের অধিকার আছে। তারা তলব করতেই পারে। তাঁর কথায়, ‘‘আমার কাছে যা নথিপত্র চেয়েছিল, দিয়েছি। কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের অধিকার আছে। যে কোনও নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলে তারা তদন্ত করতে পারে। আমার দায়িত্ব তাতে সহযোগিতা করা। সজ্ঞানে স্বেচ্ছায় তলবে সাড়া দিয়েছি এবং সহযোগিতা করেছি।’’

পুরনিয়োগ মামলার তদন্তে গত ১৪ জুলাই মদনের স্ত্রী এবং দুই পুত্রকে নোটিস পাঠায় ইডি। একদা মমতার ‘আস্থাভাজন’ মদন সেই রাতেই চলে যান ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহার বাড়িতে। পরের দিন যোগ দেন তৃণমূলের ঋতব্রত-শিবিরে। ছেড়ে দেন কালীঘাট তৃণমূলের সব পদও। ইডির নোটিসের পরেই শিবির বদল নিয়ে মদনকে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার ভয়েই কি তড়িঘড়ি মমতার হাত ছাড়লেন? এর জবাবে মদন আগে বলেছেন, ‘‘ইডির চেয়ে এবি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) বেশি ভয়ঙ্কর।’’ মমতা শিবির ত্যাগের প্রধান কারণই অভিষেক, দাবি মদনের।

Madan Mitra kamarhati ED Case BJP TMC Municipality Recruitment Scam

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy