E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বাংলাদেশে শ্রমিক বিক্ষোভ জারি, বিরোধী নিশানায় সরকার

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে এ দিনও পোশাক-শ্রমিকরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখান। গাজীপুরের নাওজোড় ও ভোগড়া এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ০৭:৫৬
উত্তপ্ত বাংলাদেশ।

উত্তপ্ত বাংলাদেশ। ছবি: রয়টার্স।

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক-শ্রমিকদের বিক্ষোভে মঙ্গলবারও উত্তপ্ত হল বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকা। গাজীপুর, সাভার–আশুলিয়া, মিরপুরে এবং নারায়ণগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষও হয়। গাজীপুরে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে গত রবিবার ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। দু’দিন পার হলেও মজুরি বোর্ডের কোনও সভা ডাকা হয়নি। এই শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে তারেক রহমান সরকারকে আক্রমণ করেছেন এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম।

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে এ দিনও পোশাক-শ্রমিকরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখান। গাজীপুরের নাওজোড় ও ভোগড়া এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে পুলিশ ও শ্রমিক-সহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের কারণে সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে। প্রায় চার ঘণ্টা পর দুই মহাসড়কেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শ্রমিকরা স্থানীয় সময় সকাল ১১টা থেকে দফায় দফায় সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। অবশেষে বেলা ৩টেয় তাঁরা অবরোধ করেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোডের শিবু মার্কেট এলাকায় অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন কয়েক হাজার শ্রমিক। জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকার আবীর ফ্যাশন, মেট্রো নিটওয়্যার, মাইক্রো ফাইবার ও আজাদ নিট কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা একযোগে রাস্তা অবরোধ করেন। সাভর-আশুলিয়া ও মিরপুরেও গোলমালের ঘটনা ঘটেছে।

রবিবারই বাংলাদেশ সরকার অভিযোগ করেছিল, পোশাক-শ্রমিকদের আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী শক্তির মদত রয়েছে। সরকারকে নিশানা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘সরকারের সঠিক পরিকল্পনা না থাকা বিক্ষোভ এই পর্যায়ে গিয়েছে। যদি এতে কোনও গোষ্ঠী ঢুকে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে থাকে, তবে তা গোয়েন্দা সংস্থাগুলির চরম ব্যর্থতা।
সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি বিরোধী দল কে কোথায় যাচ্ছে, বসছে, কী করছে তা নজরদারিতে ব্যস্ত, কিন্তু দেশের শত্রুরা কী করছে, সে বিষয়ে তাদের খোঁজ নেই।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Bangladesh Unrest Bangladesh protests Workers

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy