Health Partner
Comfort Partner
Knowledge Partner

কোথাও কোনও হাওয়া নেই, উড়ে এল একটা লোহার শিক…২৬ বছর আগের ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন কুণাল ঘোষ

শেষ বার অশরীরীর উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন প্রায় ছাব্বিশ বছর আগে। ২০০০ সালে পুরনো বাড়ি ভেঙে শুরু হয় বহুতলের কাজ। এক দিন সন্ধেয় সেই বহুতলে কাজ দেখতে গিয়ে অদ্ভুতুড়ে পরিস্থিতির মুখোমুখি হন বেলেঘাটার বিধায়ক।

আনন্দ উৎসব ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:১২
এই ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত

এই ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত

কালীপুজো মানেই আলোর রোশনাই। আঁধার কাটিয়ে উমার পরে বাড়ি ফেরে শ্যামা। তবে, কালীপুজো আরও একটি কারণে বাঙালির মনের খুব কাছাকাছি। তা হল ভূত। তারা যে স্বয়ং মা কালীর অনুচর। তাতে আবার কালীপুজোর আগের রাতেই পালিত হয় ভূত চতুর্দশী। তার আগের কয়েক দিনে ভূতেরা যে বেশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে, তাতে আর সন্দেহ কী! কালীপুজোর আবহে তাই আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে অলৌকিক স্মৃতি ভাগ করে নিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

স্মৃতির সরণি বেয়ে কুণাল ফিরে যান তাঁর ছোটবেলায়। জন্ম থেকেই বেলেঘাটার বিশাল এক বাড়িতে বড় হওয়া। ব্রিটিশ আমলে তৈরি সেই বাড়ির খাঁজে খোঁজে ইতিহাস ঠাসা। আজ যদিও সেই বাড়ি আর নেই। মোটা দেওয়াল, লাল মেঝের বাড়িটি ভেঙে তৈরি হয়েছে বহুতল। তবে, দীর্ঘদিন সেই বাড়িতে থাকার দরুণ অলৌকিক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন বিধায়ক। প্রায়ই যেন এক অশরীরীর উপস্থিতি টের পেতেন। স্পষ্ট অবয়ব নয়, সাদা ধোঁয়ার মতো। এমনকী, বাড়ির অন্যরাও বুঝতে পারতেন সেই উপস্থিতি। কুণাল জানান, হঠাৎ হঠাৎ জলের কল খুলে যাওয়া, লাইটের সুইচ অফ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটত। তখনই আরও স্পষ্ট ভাবে বাড়ির সদস্যরা অনুভব করতেন তেনাদের আনাগোণা।

ভূতুড়ে স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে বিধায়ক জানান, শেষ বার সেই অশরীরী উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন প্রায় ছাব্বিশ বছর আগে। ২০০০ সালে পুরনো বাড়িটি ভেঙে শুরু হয় বহুতলের কাজ। এক দিন সন্ধেয় বহুতলের কাজ দেখতে গেলে অদ্ভুতুড়ে এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তিনি। কোনও দমকা হাওয়া কিংবা পারিপার্শ্বিক চাপ ছাড়াই তাঁর সামনে দিয়ে উড়ে গিয়ে পড়ে একটি লোহার শিক। উড়ন্ত সেই লোহার শিকে অবশ্য কোনও আঘাত পাননি তিনি। হাসতে হাসতে কুণাল বলেন, “বাড়িটা ভেঙে ফেলা হয়েছে, এটা মনে হয় উনি ভাল ভাবে নেননি। তাই ও রকম ভাবে জানান দিয়েছিলেন।” তবে, কোনও দিনই কোনও ক্ষতি করেনি ওই অশরীরী, এমনটাই জানান বেলেঘাটার বিধায়ক।

গল্প করতে করতে কুণাল জানান, ভূতে ভীষণ ভয় পান তিনি। এমনকী, রাতে কোনও রকম ভূতুড়ে গল্প লেখেনও না, পড়েনও না। ভূত সংক্রান্ত যাবতীয় লেখালেখি দিনের বেলাতেই সারেন। তবে, আজও ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে বেলেঘাটার পুরনো সেই বাড়িতেই যেন ফিরে যান কুণাল ঘোষ।

এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।

Horror Stories Kunal Ghosh Experience Diwali ghost Negative Force

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy