উপকরণ :
চিনি - ৪০০ গ্রাম
জল - ২৫০ মিলি
বড় এলাচ - ১০টি
ছানা - ২৫০ গ্রাম
খোয়া ক্ষীর - ১২৫ গ্রাম
ময়দা - ৫০ গ্রাম
কর্নফ্লাওয়ার - ১ টেবিল চামচ
নকুল দানা - পান্তুয়া অনুযায়ী
সাদা তেল - ২৫০ গ্রাম
প্রণালী
চিনি এবং জল মিশিয়ে গ্যাসের আঁচ বাড়িয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। ফুটে উঠলে দিয়ে দিন বড় এলাচের কয়েকটা দানা। এর পরে ভাল করে ফের দু-তিন মিনিট ফুটিয়ে রাখুন।
এ বার একটি পাত্রে জল ঝরানো ছানা, খোয়া ক্ষীর এবং ময়দা নিয়ে নিন। খোয়া ক্ষীর ভাল করে গুঁড়িয়ে নিন। যোগ করুন কর্ন ফ্লাওয়ার। সব কিছু খুব ভাল করে মেখে নিতে হবে। ছানাটা খুব ভাল করে মাখা হলে দিয়ে দিন বড় এলাচের দানা। আবারও এক বার ভাল করে মেখে নিন সবটা। এর পরে লুচির লেচির মতো করে তৈরি করে নিন কয়েকটি লেচি। প্রত্যেকটি লেচিতে একটি করে নকুল দানা চেপে ঢুকিয়ে দিন এবং লেচি ফের বলের আকারে গড়ে নিন। এ বার একটি পাত্রে সাদা তেল গরম করুন। গ্যাসের আঁচ কমিয়ে রেখে পান্তুয়ার আকার দেওয়া লেচিগুলোকে ভেজে নিন। তত ক্ষণ ভাজুন, যত ক্ষণ না পান্তুয়ার রং খয়েরি হয়ে উঠছে। তার পরে ঝাঁঝরি হাতা দিয়ে তেল ঝরিয়ে ভাজা পান্তুয়াগুলো তুলে নিন একে একে। আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিনির সিরাপের মধ্যে সেগুলো দিয়ে দিন। লক্ষ রাখবেন, রস যেন ঠান্ডা না হয়ে যায়। সিরাপ গরম থাকতে থাকতেই যেন পান্তুয়াগুলো তাতে দেওয়া হয়। পান্তুয়া চিনির রসে দেওয়া হয়ে গেলে মাঝারি আঁচে ঢাকনা দেওয়া পাত্রে মিনিট পাঁচেক ভাল করে ফুটিয়ে নিন। এ বার গ্যাস বন্ধ করে ঢাকা সরিয়ে দেখবেন, তৈরি সুস্বাদু পান্তুয়া। তবে যদি এক ঘণ্টা পান্তুয়াগুলোকে রসে রেখে দেওয়া যায়, তবে তার স্বাদ বাড়বে অনেকটাই।
অতএব বাইরের দোকানের মিষ্টি এ বার বাদ। বাড়িতেই বানিয়ে খাওয়ান সুস্বাদু পান্তুয়া। পুজোর দিনে বা বিজয়ায় আপনিই হয়ে উঠবেন ব্যতিক্রমী!
এই প্রতিবেদনটি "আনন্দ উৎসব" ফিচারের একটি অংশ।