পূজা-পাঠের পর ধূপ জ্বালানোর রীতি নতুন নয়। ধূপের গন্ধ এবং প্রদীপের উষ্ণতা ছাড়া যেন পুজোটাই অসম্পূর্ণ। সামনেই তো দুর্গাপুজো, বহু হিন্দু বাড়িতেই জাঁকজমকের সঙ্গে বরণ করা হবে দেবীকে। পুজোর সময়ে নিশ্চয়ই জ্বলবে ধূপ-প্রদীপ। কিন্তু আদৌ কি তা সঠিক স্থানে?
সাধারণত বাস্তু মতে, ঠাকুরের আসন ছাড়া কিছু বিশেষ স্থান আছে, যেখানে ধূপকাঠি বা প্রদীপ রাখা শুভ বলে গণ্য হয় না। এতে নাকি বাড়িতে অশুভ শক্তির প্রভাব বাড়ে। কী সেই জায়গাগুলি? এই প্রতিবেদনে রইল তারই খোঁজ।
বলা হয়, শৌচাগারের সামনে প্রদীপ বা ধূপ না জ্বালানোই শ্রেয়। ভুলবশত অনেকেই এই কাজ করে থাকেন, যা বাস্তু মতে অত্যন্ত অশুভ বলে মানা হয়।
মাটির যে কোনও স্থানে ধূপকাঠি গুঁজে দেওয়া একেবারেই শুভ লক্ষণ নয়। বাস্তুবিদরা মনে করেন, এতে নাকি রুষ্ট হন ধরিত্রীদেবী। পরিবর্তে মাটির উপর কোনও ধূপদানি রেখে তার মধ্যে ধূপকাঠি রাখুন। এই একই নিয়ম প্রযোজ্য প্রদীপের ক্ষেত্রেও। মাটির উপর কোনও জিনিস যেমন কাপড় বা ছোট্ট থালা রেখে সর্বদা তার উপরেই প্রদীপ রাখা মঙ্গলের।
এমনকি ঠাকুরের বসার স্থান বা সিংহাসনের কোনও ছিদ্রতেও ধূপকাঠি গুঁজে দেওয়া শুভ নয়। এতেও পরিবারের অমঙ্গল নয়।
কোন দিকে ধূপকাঠি জ্বালাচ্ছেন, তা পরখ করে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তু মতে, ধূপ জ্বালানোর ক্ষেত্রে পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব কোণকেই শুভ বলে মনে করা হয়। তা ছাড়া ধূপদানিটি এমন জায়গায় রাখুন যাতে তার ধোঁয়া সরাসরি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের পথে না আসে এবং অবশ্যই আগুন লেগে যাওয়ার ভয় যাতে না থাকে।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।