উত্তর কলকাতায় ঠাকুর দেখতে এসেছেন, অথচ বুঝতে পারছেন না কোথায় শুরু আর কোথায় শেষ? কোন পুজো থেকে শুরু করলে ভাল, আর কোথায় শেষ করলে হতে পারে সুবিধা, রইল তার নির্দেশিকা —
১. কাশী বোস লেন —
শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশন থেকে হাঁটাপথে মিনিট ১৫। কাশী বোস লেন দুর্গোৎসবের এ বছরের মণ্ডপ সজ্জার বিষয়বস্তু ‘আদিম’। মূলত ওয়ারলি আর্টকে কেন্দ্র করে এই মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। কাশী বোস লেনের পুজো উত্তর কলকাতার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পুরনো পুজো। এই মণ্ডপটা কোনও ভাবেই বাদ দেবেন না।
২.নলিন সরকার স্ট্রিট
কাশী বোস লেনের মণ্ডপ থেকে হাঁটা দূরত্বে প্রায় ১৫ মিনিট এই মণ্ডপ। এ বছর পুজো সেজেছে এক অন্য রকম আঙ্গিকে। মণ্ডপসজ্জার বিষয়বস্তু গঙ্গা নদী এবং তার দূষণকে কেন্দ্র করে। থিমের নাম ‘জললিপি’। অন্য রকম এবং সুন্দর অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে এই মণ্ডপে যেতে ভুলবেন না।1720413
আরও পড়ুন:
৩.নবীনপল্লী:
নলিন সরকার স্ট্রিট থেকে মাত্র দু-তিন মিনিটের হাঁটা পথেই পৌঁছে যেতে পারবেন নবীন পল্লীর পুজোয়। তাদের এ বছরের মণ্ডপ যেন ছোটবেলা ফিরে দেখার ঠিকানা। বিশিষ্ট কবি যোগীন্দ্রনাথ সরকারের স্মৃতিতে ‘হাসিখুশি পুজো’ নামে এই মণ্ডপ সেজে উঠেছে। মূলত তাঁর লেখা ছোটদের ছড়া ও ছড়ার বই, তার চরিত্রদের দিয়েই সাজানো হয়েছে সবটা। এখানে পা রেখে শিশুরা তো বটেই, তাদের হাত ধরে থাকা বড়দেরও মন ভাল হয়ে উঠতেই পারে।
৪.হাতিবাগান সর্বজনীন:
নবীনপল্লীর মণ্ডপ থেকে পায়ে হেঁটে মাত্র পাঁচ মিনিটে পৌঁছে দেওয়া যাবে হাতিবাগান সর্বজনীনে। সেখানকার থিমের নাম 'ছন্দছাড়া ছন্নছাড়া'। প্রতিমা-সহ পুরো মণ্ডপসজ্জা খুব আকর্ষণীয়। উত্তর কলকাতায় ঠাকুর দেখতে গেলে এই পুজো অবশ্যই থাক তালিকায়।
৫.উত্তর কলকাতা সর্বজনীন:
হাতিবাগান সর্বজনীন থেকে হাঁটাপথে ১০-১২ মিনিট লাগবে পৌঁছতে। এই পুজোর এ বারের সাজসজ্জা সাড়া ফেলেছে সমাজমাধ্যমে। বিষয়ভাবনা ‘জলছাপের কলিকাতা’। মূলত প্রাচীন কলকাতার ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়েছে এই মণ্ডপে।
এই প্রতিবেদনটি আনন্দ উৎসব ফিচারের একটি অংশ