বেতনবৃদ্ধির দাবিতে দেশ জুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে বসার ডাক দিলেন বিএসএনএল কর্মচারী ও আধিকারিকেরা। ২০ নভেম্বরের মধ্যে তাঁদের দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতনের ব্যবস্থা না করা হলে কর্মবিরতিতে যাবেন বলে হুমকি দিয়েছেন রাষ্ট্রীয় টেলিকম সংস্থার কর্মীরা। সোমবার এই ঘোষণা করেছে বিএসএনএল-এর সমস্ত ইউনিয়ন ও কর্মচারী সমিতি।
আরও পড়ুন:
এক দশক ধরে ঝুলে থাকা বেতনবৃদ্ধির দাবিতে এ বার আরও কঠোর অবস্থান নিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএলের কয়েক লক্ষ কর্মী। ন্যূনতম ১৫ শতাংশ বেতনবৃদ্ধির দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসা হলেও এখনও তার কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ কর্মী সংগঠনগুলির। দাবি আদায়ে এ বার দেশ জুড়ে আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:
কর্মী সংগঠনগুলির বক্তব্য, বছরের পর বছর ধরে বেতন সংশোধনের দাবি উঠলেও বিষয়টির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আর অপেক্ষা করতে নারাজ কর্মীরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ দিনের বেতনবৃদ্ধির বিষয়টি দ্রুত মিটিয়ে কর্মীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো চালু করতে হবে। তবে শুধু দাবি জানানোতেই এ বার থামতে চাইছেন না কর্মীরা। কেন্দ্রকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সংগঠনগুলি। জানিয়েছে, আগামী এক মাসের মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে দেশ জুড়ে ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
এই কর্মসূচির কথা জানিয়ে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রককেও চিঠি পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মী সংগঠনগুলি। সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে, ২০ নভেম্বর দেশ জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবি না মানা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে তারা। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারের তরফে কোনও সমাধানসূত্র না এলে বিএসএনএলের পরিষেবা ও দফতরের স্বাভাবিক কাজকর্মে তার প্রভাব পড়তে পারে।
কর্মীদের এই অবস্থানের ফলে দীর্ঘদিনের বেতনবৃদ্ধির দাবিকে ঘিরে ফের কেন্দ্র ও বিএসএনএল কর্মী সংগঠনগুলির মধ্যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে কেন্দ্র এই দাবির বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে তা দিকেই নজর রাখছে বিএসএনএলের ইউনিয়নগুলি।