বড় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলির দ্রুত জিএসটি রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির কর আধিকারিকেরা অভিন্ন নথির তালিকা তৈরির চেষ্টা করছেন। যাতে যে কোনও রাজ্যেই জিএসটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য একই রকম নথির প্রয়োজন হয়। জিএসটি রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ক্ষেত্রেও স্বংয়ক্রিয় প্রক্রিয়া তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। শুক্রবার দিল্লিতে বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি-র আয়োজনে জাতীয় কর বিষয়ক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর পর্ষদের সদস্য সঞ্জয় মঙ্গল এ কথা জানিয়ে বলেছেন, কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির আমলা স্তরে এই কাজ শেষ হলে সেই প্রস্তাব জিএসটি পরিষদে পেশ হবে।
গত বছর সেপ্টেম্বরে জিএসটি পরিষদের বৈঠকে ছোট ও মাঝারি শিল্পের জিএসটি নথিভুক্তির সরলীকরণের প্রক্রিয়ায় সিলমোহর দেওয়া হয়েছিল। সঞ্জয় জানান, ৬৫ শতাংশ সংস্থা এই প্রক্রিয়াতেই জিএসটি নথিভুক্তি করছে। বাকি ৩৫ শতাংশ বড় সংস্থার জন্য নথির অভিন্ন তালিকা তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। জিএসটি আপিল ট্রাইব্যুনালের সভাপতি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সঞ্জয় কুমার মিশ্র খুব কম সংখ্যক মামলা দায়ের হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।