কেন্দ্রের তরফে চিনির চড়া দামে রাশ টানতে ইতিমধ্যেই নানা রকম পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে এখনও যে তার ফল পাওয়া যায়নি, তা স্পষ্ট হল সরকারি তথ্যেই। যেখানে দেখা গেল, রবিবারও দেশের বেশির ভাগ খুচরো বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকার বেশি দামে।
এ দিন কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রকের পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, সারা দেশে প্রতি কেজি চিনির গড় দাম এখনও দাঁড়িয়ে ৬৪.২৪ টাকায়। এক সপ্তাহ আগের ৬৩.১২ টাকা থেকে যা ১.৭৭% বেশি। এক মাস আগের তুলনায় ৩০% এবং এক বছর আগের একই সময়ের থেকেও ৩৮.৬৩% বেশি। এ দিন কিছু বাজারে চিনির সর্বোচ্চ খুচরো দাম উঠেছে ৭৪ টাকা। সর্বনিম্ন ছিল ৪০ টাকা। শনিবার কলকাতার বাজারে এক কেজি চিনি বিকিয়েছে ৬৬-৭০ টাকায়। রবিবার দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই ও রাঁচিতে দাম ছিল যথাক্রমে ৬২, ৬৬, ৬৩ এবং ৬৮ টাকা।
উল্লেখ্য, দাম কমাতে কেন্দ্র ইতিমধ্যে মিষ্টি প্রস্তুতকারী-সহ বেশি পরিমাণে চিনি ব্যবহারকারীদের ও বিক্রেতাদের মজুতের পরিমাণ বেঁধে দিয়েছে। চিনি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞাও চাপানো হয় আগেই। তার পরেও এই চড়া খুচরো দর উদ্বেগের বিষয় বলেই দাবি। সরকারি মহলের একাংশের মতে, পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। তার প্রভাব খুচরোতে পড়তে সময় লাগে। চড়া দামে কেনা খুচরো মজুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা কমবে বলে মনে হয় না। নিজস্ব প্রতিবেদন