রাজ্য থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার চলে যাওয়ার পরে তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট-রাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আবাসনের দাম প্রতি বর্গফুটে মোটামুটি ১০০-২০০ টাকা কমতে পারে, দাবি করল এই ক্ষেত্রের সংগঠন ক্রেডাই। সোমবার ক্রেডাই ওয়েস্ট বেঙ্গলের চেয়ারম্যান সুশীল মোহতা বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পরে তোলাবাজি-সিন্ডিকেটের দাপট কমেছে। তাতেই সস্তা হচ্ছে বাসস্থান। দাম কমানোর সুযোগ যতটা থাকবে, ততটাই আমরা কমাব ক্রেতাদের স্বার্থে।’’ যদিও বাস্তবে তোলাবাজি সত্যিই কতটা বন্ধ হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। বিভিন্ন মহলে মাথা তুলেছে বিতর্কও।
ক্রেডাই কলকাতা চ্যাপ্টারের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি সিদ্ধার্থ পানসারির দাবি, সরকার বদলের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে ফ্ল্যাট-বাড়ির দাম কমাতে পারে ২-৪ শতাংশ। তবে সঙ্গে আরও কিছু কারণ কাজ করে। সে সব না দেখে ঠিক কতট কমবে, বলা সম্ভব নয়। যদিও ওই সংগঠনেরই হাওড়া-হুগলির সভাপতি তমাল ঘোষাল জানান, এই ক্ষেত্রে খরচ কমলেও বালি, সিমেন্ট, টাইলস, রড ইত্যাদির দাম বেড়েছে। ফলে সব মিলিয়ে ক্রেতার উপর কতটা প্রভাব পড়বে, তা স্পষ্ট হবে পুরো হিসেবের পরে। ক্রেডাই কর্তাদের স্পষ্ট বার্তা, রাজ্যে আইনের শাসন ফিরে আসা সকলের জন্যই ইতিবাচক।
সুশীল এ দিন জানান, তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়ার পরে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার যে ৭০৬টি প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়েছিল, তার মধ্যে প্রায় ৩০০টি ছাড়পত্র পেয়েছে। ২৫০টি মতো ১৫ অগস্টের মধ্যে পাবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২৬টিতে গরমিল ধরা পড়েছে। ১১৫টি প্রকল্প সরকারের কাছে আবেদনই করেনি। সুশীলের দাবি, এর মধ্যে ক্রেডাইয়ের সদস্য নেই।