বিশ্ব বাজারে যদি আগামী ১০-১২ দিন অশোধিত তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকে, তা হলে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি ‘ব্রেক ইভেন পয়েন্টে’ পৌঁছবে, দাবি সরকারি সূত্রের। অর্থাৎ তেল বিক্রি করে লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না তাদের। সূত্রটি বলছে, তারপরও যদি তেলের আমদানি খরচ এবং দেশে পেট্রল-ডিজ়েলের খুচরো দাম না বদলায়, তখন লাভের পথে হাঁটতে পারে সংস্থাগুলি। যার মানে, এতদিন ধরে বহন করা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। ফলে অগস্টের আগে সেগুলির দাম কমার সম্ভাবনা প্রায় নেই।
সূত্রের আরও দাবি, এখনও সংস্থাগুলি একটি গৃহস্থালির সিলিন্ডার বেচে ৫০০ টাকার মতো ক্ষতি গুনছে। যদিও এর মধ্যে এক দফায় ১৭৪ টাকা কমেছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার। গৃহস্থের রান্নার গ্যাসের দাম দু’বার বৃদ্ধির পরে এখনও অপরিবর্তিত। কলকাতায় যা ৯৬৮ টাকা। বহাল রয়েছে বুকিং-এর ক্ষেত্রে ২৫ দিনের ফারাক রাখার নিয়মও। সূত্রটির মতে, তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা এপ্রিল-জুনে সামগ্রিক ভাবে ৭৫,০০০ কোটি টাকা ক্ষতি গুনেছে। কেন্দ্র উৎপাদন শুল্ক না কমালে তা আরও বেশি হত।
সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের বক্তব্য, বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়লে দেশের দামে চটজলদি তার প্রভাব পড়ে। কিন্তু কমলে সেটা সে ভাবে হয় না। অথচ সপ্তাহ তিনেক ধরে আন্তর্জাতিক দাম ৬৫-৬৮ ডলারের কাছে ঘুরছে। এত শর্ত মানার জটিলতায় দাম ফের বাড়লে ভারতের মানুষের আর সুবিধা পাওয়া হবে না। উল্লেখ্য, গত মার্চ থেকে গৃহস্থালির গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কলকাতায় ৫৯ টাকা বেড়েছে। পেট্রল-ডিজ়েল প্রায় ৮.৫ টাকা বেড়ে হয়েছে যথাক্রমে ১১৩.৫১ এবং ৯৯.৮২ টাকা।