অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ডের (পিএফ) আবেদনের সময় সাবধান! হ্যাকারের হানায় নিমেষে ফাঁকা হতে পারে অ্যাকাউন্ট। এই মর্মে এ বার বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের সতর্ক করল এমপ্লোয়িজ় প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজ়েশন (ইপিএফও)। সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টও করেছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের আওতাধীনে থাকা ওই সংস্থা।
রবিবার এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) গ্রাহকদের সতর্কবার্তা দেয় ইপিএফও। সমাজমাধ্যমে করা পোস্টে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি লিখেছে, ‘‘ক্লিক করার আগে ভাবুন। ভুয়ো লিঙ্ক এড়িয়ে চলুন, ইউআরএল যাচাই করুন এবং ব্যক্তিগত তথ্য সর্বদা সুরক্ষিত রাখুন।’’ এর পাশাপাশি সাইবার হামলা ঠেকাতে দেওয়া হয়েছে ছ’টি নির্দেশ।
প্রথমত, অনলাইন পরিষেবার জন্য গ্রাহকদের শুধুমাত্র ইপিএফও-র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট দেখতে বলা হয়েছে। টেক্সট মেসেজ, ই-মেল বা হোয়াট্সঅ্যাপে পাঠানো কোনও লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সাবদান করে জানিয়েছে, সেগুলি সবই হ্যাকারদের পাতা ফাঁদ হতে পারে।
দ্বিতীয়ত, কোনও ওয়েব লিঙ্কে ক্লিক করার ক্ষেত্রে ভাল করে তা যাচাই করে নিতে হবে। এ ব্যাপারে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করতে সাইবার অপরাধীদের মধ্যে সমাজমাধ্যম এবং হোয়াট্সঅ্যাপের মতো মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহারের প্রবণতা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ইপিএফও-র ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও ইউএএন, পিপিও, পাসওয়ার্ড, আধার, প্যান, ব্যাঙ্কের বিবরণ এবং ওটিপি লেনদেন বিপজ্জনক হতে পারে।
আরও পড়ুন:
তা ছাড়া, সরকারি ওয়েবসাইটে লগ ইন করার সময়েও ইউআরএল ভাল করে দেখে নিতে বলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে হেল্পলাইন ডেস্ক বা সাইবার নিরাপত্তা বিভাগকে জানাতে হবে সেটি। পোস্টের শেষে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। সেটা হল, ইপিএফও ফোন কল, এসএমএস, হোয়াট্সঅ্যাপ, সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেলের মাধ্যমে ওটিপি বা কোনও ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চায় না।
সম্প্রতি, প্রভিডেন্ট ফান্ডের গ্রাহকদের সুবিধার্থে ওয়েবসাইটকে নতুন ভাবে সাজিয়েছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। এ ব্যাপারে একটি অ্যাপ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। সেই আবহে সমাজমাধ্যমের পোস্টে নজিরবিহীন ভাবে একাধিক সতর্কতা জারি করল ইপিএফও। যদিও গত কয়েক দিন বড় কোনও হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা জানা যায়নি।