Advertisement
E-Paper

মাসমাইনে হাতে এলেই হু-হু করে খরচ! কোন ফর্মুলায় বেতন থেকে টাকা বাঁচিয়ে বাড়াতে পারবেন সঞ্চয়?

মাসিক বেতন হাতে পাওয়ার পর খরচের ধাক্কা সামলাতে গিয়ে কিছুই হচ্ছে না সঞ্চয়। আমজনতার অনেকেই এই অভিযোগ করে থাকেন। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে কী কী করণীয়?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬ ১৬:৫০
Representative Picture

—প্রতীকী চিত্র।

জুলাই পেরিয়ে শুরু হতে চলেছে অগস্ট। ফলে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ধীরে ধীরে ঢুকছে মাসমাইনে। বেতন পাওয়ার পর সঞ্চয় বৃদ্ধিতে কী কী করণীয়? কোন খাতে কী ভাবে কমাবেন খরচ? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।

আর্থিক বিশ্লেষকদের দাবি, মাসিক সঞ্চয় বাড়াতে মোট ১০টি সহজ রাস্তা নিতে পারে আমজনতা। তার প্রথম ধাপ হিসাবে প্রতি মাসের মোট আয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব কষতে হবে তাঁকে। অনেকেই শুধুমাত্র সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতনের উপর নির্ভরশীল নন। বাড়ি ভাড়া, ব্যবসা ও স্বনিযুক্তি বা ফ্রিল্যান্স আয়ও এর অন্তর্ভুক্ত।

শহর হোক বা গ্রাম, এ দেশের প্রায় কেউই দৈনিক ও মাসিক খরচের হিসাবে রাখেন না। বিশেষজ্ঞদের কথায়, সঞ্চয় বৃদ্ধিতে সেই অভ্যাস থাকা জরুরি। বেতন হাতে পেয়ে প্রথমেই ঋণের (যদি থাকে) মাসিক কিস্তি, সন্তানের স্কুল-কলেজের ফি, যাতায়াত ভাড়া এবং মাসের মুদিখানার খরচ বাদ দিতে হবে। যাঁদের নিজের বাড়ি নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে এর সঙ্গে যুক্ত হবে বাড়িভাড়াও।

অনেকে আবার অনলাইন কেনাকাটা করতে খুবই ভালবাসেন। ফলে ই-কমার্স সাইট থেকে কী কিনছেন এবং সেই বাবদ কত খরচ হচ্ছে, তার হিসাব রাখতে হবে তাঁদের। এই অভ্যাস তৈরি হয়ে গেলে কোথায় ব্যয় হ্রাস করা যায়, তা নিজেই চিহ্নিত পারবেন ওই ব্যক্তি।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, অনেকে প্রয়োজন এবং শখের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না। সঞ্চয় বৃদ্ধিতে এটা খুবই জরুরি। খাওয়া-দাওয়া, বাড়িভাড়া, যাতায়াত খরচ, স্কুল-কলেজের ফি এবং স্বাস্থ্যের দিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কেউ আবার খেলাধুলোর সঙ্গে যুক্ত। সেখানেও প্রয়োজনমতো ব্যয় করতে হবে তাঁকে। আর তাই অপ্রয়োজনীয় শখ নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

অর্থনীতিবিদদের কাছে, এই নিয়ে একটি সহজ সূত্র রয়েছে। সেটা হল, ৫০-৩০-২০। অর্থাৎ, মাসিক আয়ের ৫০ শতাংশ দিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হবে। দৈনন্দিন জীবনযাত্রার জন্য ব্যয় হবে ৩০ শতাংশ। বাকি ২০ শতাংশ সঞ্চয় করবেন ওই ব্যক্তি। এতে ভারতীয় অর্থনীতির সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে বলেই মনে করে থাকে পর্যবেক্ষক মহল।

এ ছাড়া সঞ্চয়ের অভ্যাসও তৈরি হওয়া দরকার। পাশাপাশি, আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য একটি তহবিল তৈরি করে রাখাও জরুরি। ছাঁটাই, ব্যবসায় লোকসান বা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে সেই অর্থ কাজে লাগিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে সংশ্লিষ্ট পরিবার।

Salary Hike Investment Small savings scheme

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy