বাটা ইন্ডিয়া
৩১ মার্চ শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে সংস্থার নিট মুনাফা ৪৮.৩% বেড়ে হয়েছে ৫৮.৪৩ কোটি টাকা। নিট বিক্রি অবশ্য সামান্য কমে হয়েছে ৪৯১ কোটি। কাঁচামালের সমস্যার কারণে সংস্থার পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছে বাটা। তবে ধীরে ধীরে হলে সেই অবস্থা বদলাচ্ছে। নতুন বিপণি খোলা এবং উন্নত গ্রাহক পরিষেবার হাত ধরে ব্যবসা বাড়ানো নিয়ে আশাবাদী সংস্থাটি। একই সঙ্গে তাদের ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারকে দু’টি পাঁচ টাকা মূল্যের শেয়ারে ভাঙার প্রস্তাবও রেখেছে বাটা ইন্ডিয়া। তবে তা এখনও শেয়ারহোল্ডারদের অনুমতি সাপেক্ষ।
গেইল
জানুয়ারি-মার্চ ত্রৈমাসিকে রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস সংস্থাটির নিট মুনাফা কমেছে ৫৩%। দাঁড়িয়েছে ৫১০.৭৫ কোটি টাকায়। পেট্রোপণ্যের বাজারের অবস্থা এখন খুব একটা ভাল যাচ্ছে না, বেড়েছে পণ্য উৎপাদনের খরচও। সেই কারণেই মুনাফা কমেছে বলে জানিয়েছে গেইল। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দর কমার বিরূপ প্রভাব পড়েছে সংস্থার মুনাফায়। চলতি বছরে ২,৭০০ কোটি টাকার লগ্নি প্রস্তাব থাকলেও, আদতে তা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্থার সিএমডি বি সি ত্রিপাঠী। ২০১৪-’১৫ অর্থবর্ষেও সংস্থার নিট মুনাফা ৪,৩৭৫ কোটি থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৩,০৩৯ কোটিতে। মোট ব্যবসাও কমে হয়েছে ৫৬,৫৬৯ কোটি টাকা।
টাটা কেমিক্যালস
চতুর্থ ত্রৈমাসিকে টাটা গোষ্ঠীর সংস্থাটির লোকসান কমে হয়েছে ৭৪.১৭ কোটি টাকা। গত বছর একই সময়ে তাদের ক্ষতির অঙ্ক ছিল ১,২২৫.৭২ কোটি টাকা। মূলত সোডা অ্যাশ এবং নুন ব্যবসার হাত ধরেই লোকসান কমানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আলোচ্য ত্রৈমাসিকে মোট আয় ১৩ কোটি বেড়ে হয়েছে ৩,৭৬৫.৩৮ কোটি। সাধারণ ভাবে গত ২০১৪-’১৫ অর্থবর্ষের জন্য ১০০% ডিভিডেন্ড দেওয়ার প্রস্তাব রেখেছে সংস্থার পরিচালন পর্ষদ। এর সঙ্গে তাদের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে অতিরিক্ত ২৫% ডিভিডেন্ড দেওয়ার জন্যও বিশেষ সুপারিশ করেছে টাটা কেম। ওই অর্থবর্ষে সংস্থার মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯৬ কোটির বেশি। তার আগের বছর তাদের ক্ষতি হয়েছিল ১,০৩২ কোটি।