শেয়ার বাজার চালানোর শর্ত পূরণ করতে পারলে কলকাতা স্টক এক্সসচেঞ্জকে (সিএসই) ফের চালুর অনুমতি দিতে তাঁদের আপত্তি নেই বলে জানালেন বাজার নিয়ন্ত্রক সেবির চেয়ারম্যান তুহিনকান্ত পাণ্ডে। তবে তাঁর দাবি, বর্তমানে ভারতে নতুন এক্সচেঞ্জের প্রয়োজন নেই। শনিবার কলকাতায় ভারত চেম্বারের ১২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সভার শেষে সাংবাদিকদের পাণ্ডে আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গে যেখানে ২০১৪-১৫ সালে শেয়ারে লগ্নিকারী ছিল ১২ লক্ষের কাছে। এখন তা প্রায় ৯০ লক্ষ। ৩৬ শতাংশেরই বয়স ৩০ বছরের মধ্যে। লগ্নিকারীদের শেয়ার নিয়ে সচেতন করতে একাধিক পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
পাণ্ডে বলেন, ‘‘সিএসই চালু করতে বছরে কমপক্ষে ১০০০ কোটি টাকার লেনদেনের মতো শর্ত মানতে হবে। ২০১৩ সালে লেনদেন বন্ধের সময়ে তা ছিল ৯০ কোটি। ২০২৫-এ এক্সচেঞ্জের ব্যবসা থেকে বেরোতে সেবির কাছে আবেদন করে সিএসই। ফলে শর্ত পূরণ হলে লেনদেন চালুতে আইনি বাধা নেই।’’
সিএসই সূত্রের যদিও দাবি, ২০১৩-র এপ্রিলের প্রথম চার দিনেই ৯০ কোটির লেনদেন হয়েছিল। তার আগের বছর হয়েছিল প্রায় ৯৫০০ কোটির। তা ছাড়া, বাজেটে নতুন সরকার ফের সিএসই-কে চালুর প্রস্তাব দেওয়ার পরেএক্সচেঞ্জের ব্যবসা থেকে বেরোনোর আর্জি স্থগিত রাখার আবেদনকরেছেন কর্তৃপক্ষ।
সিএসই-র এক ব্রোকারের দাবি, ‘‘বর্তমানে মুম্বইয়েই তিনটি এক্সচেঞ্জ চালু আছে (এনএসই, বিএসই এবং মেট্রোপলিটন স্টক এক্সচেঞ্জ)। সিএসই চালু হলে এখানে শেয়ার ছেড়ে কম খরচে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে শহরের ছোট-মাঝারি সংস্থাগুলি। রাজস্ব ঢুকবে রাজ্যের ঘরে।’’ এ দিনই তুহিন জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত রাজ্যের ৪০টিরও বেশি ছোট সংস্থা প্রথম শেয়ার ছেড়ে প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা তুলেছে। লগ্নিকারীদের সাহায্য করতে ‘ভারত চেম্বার ইনভেস্টস ফোরাম’ চালু করা হয়েছে বলে জানান বণিকসভার সভাপতি নরেশ পাচিসিয়া।