প্রতি দিন চিনির দাম বাড়ছে ২-৪ টাকা করে। শুক্রবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বড় বাজারে কেজি পিছু গড়ে তা ৭৩-৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এমন চললে ১০০ টাকাও ছুঁতে পারে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের অভিযোগ, পেট্রলে ইথানল মেশানোয় এই হাল। চিনির দাম ৪০%, গুড় ২৪%, চাল ১৬%, ভুট্টার আটা ১১% বেড়েছে। ই২০ পেট্রল নিয়ে সরকারের অবস্থান জনস্বার্থ বিরোধী। অবিলম্বে পরিত্যাগ করা উচিত। এতে গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে, রান্নার খরচও বাড়ছে। চিনির চড়া দাম মানলেও, ইথানল নিয়ে অভিযোগ উড়িয়েছে কেন্দ্র। দাবি, দাম বৃদ্ধির কারণ কম উৎপাদন এবং বিশ্ব বাজারের চড়া দর। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ অবশ্য বলছেন, ‘‘বেআইনি মজুত।’’ ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ আগরওয়াল জানান, গত সপ্তাহে পাইকারি দর ছিল কেজিতে ৫৩-৫৪ টাকা। এখন ৬৪ টাকা। ফলে খুচরো দর ছাড়িয়েছে ৭০ টাকা। রাণিকুঠীর বাসিন্দা দোলা সরকারের আক্ষেপ, মাসের শুরুতে ৪৫-৪৬ টাকায় কিনেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক তাপস দাসের কথায়, ‘‘এত দিন ভুগেছি গ্যাসের সমস্যায়। এখন চিনি। বহু ছোট দোকানের ব্যবসা অর্ধেক হয়ে যাবে।’’ বেকারি শিল্প সমস্যায়, দাবি ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আরিফুল ইসলামের। ব্যবসায়ীদের সংগঠন সিডব্লিউবিটিএ-র সভাপতি সুশীল পোদ্দার এ জন্য চিনিকলগুলিতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকাকে দায়ী করছেন।