বিপাকে অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থা সুইগির ই-কমার্স শাখা ইনস্টামার্ট। তাদের ন’টি নোটিস ধরিয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা দফতর তথা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)। গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিকে এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে তারা। দোষ প্রমাণ হলে বড়সড় শাস্তির মুখে যে কুইক কমার্স সংস্থাটি পড়তে পারে, তা বলাই বাহুল্য।
এফএসএসএআই সূত্রে খবর, ইনস্টামার্টের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে পচা ডিম, নষ্ট হয়ে যাওয়া পরোটা, এমনকি মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবার সরবরাহের অভিযোগ। গ্রাহকদের দাবি, একবার ফেরত দেওয়ার পর ফের নষ্ট হওয়া খাবারই পাঠিয়েছে ওই ই-কমার্স সংস্থা। সেই তালিকায় শিশুদের খাবারও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এ ছাড়া গ্রাহকদের থেকে খাবারের প্যাকেটে ভুয়ো লাইসেন্সের ছবি থাকার অভিযোগও পেয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক দফতর। অনেকের দাবি, এই নিয়ে বহু বার অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও সন্তোষজনক উত্তর দেয়নি ইনস্টামার্ট। আর তাই বাধ্য হয়ে বিষয়টি এফএসএসএআইয়ের নজরে আনেন তাঁরা।
আর তাই সুইগির ই-কমার্স শাখাটির থেকে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা জবাব তলব করেছে কেন্দ্রীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক দফতর। সেটা সন্তোষজনক না হলে ২০০৬ সালের খাদ্য সুরক্ষা ও মান আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিতে পারে তারা। উল্লেখ্য, হেলথিফাই ১০০% হোয়ে প্রোটিন, নোইস হোমস্টাইল মাদ্রাজ মিক্সচার উইথ পিনাটস, অক্ষয়কল্পা অর্গানিক এগস এবং কাক্কে দা পরোটার মতো পণ্যগুলির জন্য এই নোটিস পেয়েছে ইনস্টামার্ট।
ডিমের ব্যাপারে আরও একটি প্রশ্ন তুলেছে এফএসএসএআই। তাদের দাবি, ‘নোইস’-এর ডিম বিক্রির লাইসেন্স সুইগির ইনস্টামার্টের কাছে নেই। আর তাই অবিলম্বে ওই ডিম সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে তারা। ই-কমার্স সংস্থাটি অবশ্য সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সের আবেদনের সুযোগ পাবে বলে জানা গিয়েছে।
এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন সুইগি কর্তৃপক্ষ। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘‘আমরা এফএসএসএআই নোটিস খতিয়ে দেখছি। বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার জন্য খাদ্য নিয়ন্ত্রক দফতরের সঙ্গে যোগাযোগা রাখা হচ্ছে।’’