পর্যটনের প্রসারে কোমর বেঁধেছে রাজ্য সরকার। চলতি সপ্তাহে আনতে পারে এই সংক্রান্ত নীতিও। আর এই আবহেই পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় সারির পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে একগুচ্ছ নতুন হোটেল খোলার বার্তা দিল টাটা গোষ্ঠীর তাজ হোটেল। সোমবার শিলিগুড়িতে পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের সঙ্গে বৈঠক করেন টাটাদের হোটেল বিভাগের এমডি-সিইও পুনীত চাটওয়াল। উপস্থিত ছিলেন অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর কর্ণধার হর্ষবর্ধন নেওটিয়াও। পুনীতের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে হোটেলের সংখ্যা বাড়াতে বিশেষ পরিকল্পনা করেছে টাটারা। তাজ, জিঞ্জার, অল্টএয়ার-সহ তাঁদের সব স্তরেরই খোলা হবে।
রাজ্যে এখন টাটা গোষ্ঠীর হোটেল ১৬টি। পুনীত জানান, আরও ১১টি ৫-৬ বছরের মধ্যে চালু হবে। তার পরের পর্যায়ে পুরুলিয়া ও আসানসোলে খোলা হবে দু’টি। সুন্দরবন, হলদিয়ায় আরও দু’টির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পরের বছর কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে খুলবে ‘জিঞ্জার’ ব্র্যান্ডের একটি হোটেল। জোকার অদূরে আমতলার কাছে একটি রিসর্টের দায়িত্ব হাতে নিচ্ছে তাজ। সূত্রের দাবি, সব মিলিয়ে টাটারা ২০৩৫-এর মধ্যে রাজ্যে তাদের হোটেলের সংখ্যা ৫০টিতে নিয়ে যেতে চায়। কমবেশি ৪৫০০টি হোটেল-ঘর পরিচালনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এগুলি ছাড়াও অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথ ভাবে আগামী পাঁচ বছরে কলকাতা ও দার্জিলিং-এর পাশাপাশি দীঘা, লাটাগুড়ি, রায়চক,শিলিগুড়ি, কালিম্পং-এর মতো জায়গায় ৯টি নতুন হোটেল চালু করবে টাটারা। শুধু কলকাতা বিমানবন্দরের কাছের হোটেলটি ১২৫ কোটি টাকা খরচে তারা নিজেরা তৈরি করছে। বাকিগুলির সিংহভাগ গড়বে অম্বুজা নেওটিয়া। গুয়াহাটিতে আদানিদের সঙ্গে মিলেও একটি হোটেল খুলছে তাজ, জানান পুনীত। তাঁর দাবি, “পর্যটন ক্ষেত্রে স্থানীয়দের কাজের বিরাট সুযোগ থাকে। ফলে হোটেলের সংখ্যা বাড়লে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়বে। বাড়বে সব স্তরের মানুষের রোজগার। তাতে উপকৃত হবে রাজ্য।”