E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিগুলির পূর্ণ সুবিধা নিন, ডাক দিল ফিকি এবং সিআইআই

সিআইআই-র রফতানি বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান সঞ্জয় বুধিয়া জানান, অবিলম্বে নিউ জ়িল্যান্ডের ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা উচিত এ দেশের রফতানিকারী-সহ এমএসএমই-গুলির।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:১৮

—প্রতীকী চিত্র।

বাণিজ্যের প্রসারে ভারত বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করছে। এ বার দেশের অন্যতম প্রধান দুই বণিকসভা সিআইআই এবং ফিকি রফতানিকারী-সহ গোটা শিল্পমহলকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বীদের টেক্কা দিতে সেই সব চুক্তির পূর্ণ সুবিধা আদায় করে নেওয়ার ডাক দিল। বৃহস্পতিবার রফতানিকারী, বিশেষত ক্ষুদ্র-ছোট-মাঝারি সংস্থাগুলির (এমএসএমই) উদ্দেশে সিআইআইয়ের দেওয়া বার্তা নিউ জ়িল্যান্ডের সঙ্গে হওয়া ভারতের অবাধ চুক্তি ঘিরে। আর ফিকির পরামর্শ এসেছে ভারত-ইউরোপ চুক্তি সম্পর্কে।

সিআইআই-র রফতানি বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান সঞ্জয় বুধিয়া জানান, অবিলম্বে নিউ জ়িল্যান্ডের ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা উচিত এ দেশের রফতানিকারী-সহ এমএসএমই-গুলির। প্রতিটি পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট ‘রুলস অব অরিজিন’ বা উৎসের নিয়মকানুন ভাল ভাবে পরীক্ষা করতে হবে। যাতে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পেতে কোনও আইনি জটিলতা না হয়। পাশাপাশি, রফতানি বাড়ানোর জন্য সরকারের ‘এক্সপোর্ট প্রোমোশন মিশন’-এর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের পুরোপুরি সুবিধা কাজে লাগাতে হবে। এ ছাড়া, নিউ জ়িল্যান্ডকে প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্যকে ছড়িয়ে দিতে হবে সামগ্রিক ওশিয়ানিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বিশাল বাজারে।

ফিকির তরফে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে হওয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা নিতে এ দেশের ব্যবসায়ীরা কৌশলগত পদক্ষেপ করুন। বণিকসভাটির সেক্রেটারি জেনারেল অনন্ত স্বরূপ ব্যবসায়ীদের আরও সুদূরপ্রসারীও হতে বলেছেন। তাঁরা পরামর্শ, চুক্তির অধীনে শুধু শুল্ক ছাড় পেলেই রফতানি বাড়ানো যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘস্থায়ী জায়গা করে নিতে হবে। সে জন্য পণ্যের গুণমান সেই পর্যায়ে (যেমন ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ড) উন্নীত করতে হবে। ইউরোপীয় দেশগুলির বাজারের গভীরে পৌঁছতে হলে সেখানকার বড় ক্রেতাদের সঙ্গে স্থায়ী ও মজবুত ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলায় জোর দেওয়া জরুরি।

দুই বণিকসভাই বাণিজ্য বিস্তারে সরকারের সমস্ত রফতানি সহায়ক প্রকল্পের সর্বাধিক সুবিধা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। উল্লেখ্য, এফটিএ-র ফলে ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, বস্ত্র,চামড়া ও জুতো, রাসায়নিক, প্লাস্টিক, বৈদ্যুতিন ও ওষুধের মতো ক্ষেত্র বিপুল সুবিধা পাবে। এই সব শিল্পে শুল্ক প্রায় শূন্য শতাংশে নেমে আসায় ও পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা সংক্রান্ত নিয়ম সহজ হওয়ায় দেশের রফতানি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে দুই বণিকসভা।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Trade Deal CII

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy