E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজ, শ্রমবিধির খসড়া প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক

মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, শ্রম বিধি অনুযায়ী, বেতনের সংজ্ঞায় বেতন, ভাতা ও অন্যান্য খাতে প্রাপ্য সমস্ত অর্থই থাকবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজের সময়। তবে দৈনিক কত ঘণ্টার কাজ ও বিশ্রাম, তা আলাদা ভাবে ঠিক করা যাবে। ১৬ বছরের বেশি সমস্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকের আধার-ভিত্তিক নথিভুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক হবে। ডেলিভারি বয়দের মতো গিগ-কর্মীদের জন্য জাতীয় স্তরে সামাজিক সুরক্ষা পর্ষদ তৈরি হবে। তাতে লোকসভা, রাজ্যসভার সাংসদরা থাকবেন। এই ধরনের বিভিন্ন নিয়ম নিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক এ বার চারটি শ্রম বিধির খসড়া বিধিনিয়ম প্রকাশ করল। কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত জানতে চেয়েছে।

পাঁচ বছর আগে সংসদে চারটি শ্রম বিধি পাশ হলেও সবেমাত্র নভেম্বর মাসে চারটি শ্রম বিধির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেই শ্রম বিধির খসড়া বিধিনিয়ম প্রকাশের পরে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, তিন মাসের মধ্যে বেতন, সামাজিক সুরক্ষা, শিল্প সম্পর্ক, কাজের সুরক্ষা-পরিবেশ সংক্রান্ত বিধি কার্যকর করা হবে। নতুন বিধিনিয়মের বিজ্ঞপ্তি জারি করা পর্যন্ত পুরনো বিধিনিয়মই বজায় থাকবে। মার্চে নতুন বিধিনিয়ম জারি হলে ১ এপ্রিল থেকে শিল্প সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম চালু হয়ে যাবে।

মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, শ্রম বিধি অনুযায়ী, বেতনের সংজ্ঞায় বেতন, ভাতা ও অন্যান্য খাতে প্রাপ্য সমস্ত অর্থই থাকবে। মূল বেতন, মহার্ঘ ভাতা ও রিটেনিং অ্যালাউন্স বাদ দিয়ে অন্যান্য ভাতার পরিমাণ যদি মোট আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি হয়, তা হলে ৫০ শতাংশের থেকে বেশি পরিমাণ অর্থ সংজ্ঞা অনুযায়ী বেতনে যোগ হবে। কাজ অনুযায়ী উৎসাহ ভাতা, কর্মীদের সংস্থার শেয়ার, কর্মীদের খরচ মেটানো বেতনের অংশ হবে না। ছুটির বিনিময়ে পাওয়া টাকা ভাতার অংশ হবে না। ২০২৫-এর ২১ নভেম্বর, শ্রম বিধির বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকে গ্র্যাচুইটির হিসাব কষা হবে। ‘ফিক্সড-টার্ম’ বা কাজের মরসুমে নিযুক্ত কর্মীরা টানা এক বছর কাজ করলে তাঁদের গ্র্যাচুইটি দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই শ্রম বিধির বিরুদ্ধে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। বণিকসভা সিআইআই-এর ডিজি চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য শ্রম বিধি কার্যকর করার পথে খসড়া বিধিনিয়ম প্রকাশের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Workers Labours

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy