E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

চাপ আসছে ভোটমুখী দুই রাজ্য থেকে, দোসর আমেরিকা! এফসিআরএ বিল নিয়ে দোটানায় কেন্দ্র

নীতিগত ভাবে বিলটি নিয়ে অবশ্য আমেরিকার বিভিন্ন মহলের সমালোচনাকে খণ্ডন করেছে সরকার। আজ আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রূদূত বিনয় কোয়াত্রা এক বিবৃতিতে জানান, জনজীবনে ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিদেশি আর্থিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সার্বভৌম পদক্ষেপ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ অগস্ট ২০২৬ ০৮:৫০

— প্রতীকী চিত্র।

এফসিআরএ বিল নিয়ে সম্প্রতি বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন আমেরিকার কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুর। তাঁর দাবি, এফসিআরএ-র নামে সরাসরি খ্রিস্টানদের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একে আইনে পরিণত করার বিরুদ্ধে চাপ আসছে নির্বাচনের মুখে দাঁড়ানো গোয়া এবং মণিপুরেও। তাই চলতি অধিবেশনে এফসিআরএ বিলটি পাশ করানো নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় সরকার।

নীতিগত ভাবে বিলটি নিয়ে অবশ্য আমেরিকার বিভিন্ন মহলের সমালোচনাকে খণ্ডন করেছে সরকার। আজ আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রূদূত বিনয় কোয়াত্রা এক বিবৃতিতে জানান, জনজীবনে ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিদেশি আর্থিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সার্বভৌম পদক্ষেপ। তাঁর বক্তব্য, আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ স্বাভাবিক এবং স্বীকৃত ব্যবস্থা; আমেরিকারও নিজেদের বিদেশি তহবিল নিয়ন্ত্রণের আইন রয়েছে। ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এই আইন ধর্ম, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সমস্ত সংগঠনের ক্ষেত্রে সমান ভাবে প্রযোজ্য এবং সমস্ত আস্থার দাতব্য ও কল্যাণমূলক কাজ আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। আগেই জানানো হয়েছে, আমেরিকার আইনপ্রণেতার বা আমেরিকার কংগ্রেসের কোনও কোনও সদস্যের সাম্প্রতিক এই সমালোচনাকে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল’ বলে মনে করে নয়াদিল্লি।

তবে আজ লোকসভার বিষয় উপদেষ্টা কমিটিতে এই বিলটির আলোচনার জন্য সময় ধার্য করা হয়নি। সূত্রের খবর, বিলটিকে যুগ্ম সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হতে পারে। লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিল যে অন্তত এই অধিবেশনে আসবে না, তা স্পষ্ট। আজ সুপ্রিয়া সুলে-সহ এনসিপি(এসপি)-র সাংসদরা দেখা করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। সূত্রের খবর, বিলে সমর্থন দেওয়া নিয়ে কথা হয়েছে তাঁদের। যদিও দলের তরফে বলা হয়েছে, বৈঠকটি রাজনৈতিক নয়। সাংসদরা জ্যোতিবা ফুলে, সাবিত্রীবাই ফুলে, সন্ত তুকদোজী মহারাজদের ভারতরত্ন দেওয়ার বহু পুরনো প্রস্তাব ফের তুলেছেন। রাজ্যের উন্নয়নের বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
FCRA Foreign Contribution (regulation) Act (FCRA) Central Government India-US

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy