E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

রাজ্যে এ বার জিআই তকমা পাওয়ার পথে দেশি খাসির মাংস, চিংড়ি শুঁটকি

সূত্রের দাবি, এ বার এই মাছ-মাংসের বাংলার জিআই পণ্য হিসেবে তকমা পাওয়ার অপেক্ষা। প্রতিটি ক্ষেত্রে মূল আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট এলাকার শিল্পী বা ব্যবসায়ীদের সংগঠন। বিশেষ সহায়তা করেছেন দেশের জিআই বিশেষজ্ঞ রজনী কান্ত।

অঙ্কুর সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৫১

— প্রতীকী চিত্র।

রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে আমিষ-নিরামিষ বিতর্ক তুঙ্গে উঠলেও, বাংলার মাছ-মাংসের জিআই (ভৌগোলিক পরিচয়) তকমা পাওয়ায় পূর্বতনকে টেক্কা দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সূত্রের খবর, সম্প্রতি বাংলার ব্ল্যাক বেঙ্গল গোট মিট বা দেশি খাসির মাংস, ইলিশ মাছের পণ্য, চিংড়ি শুঁটকির জিআই-এর আবেদন করা হয়েছিল। চলতি মাসের প্রথমার্ধে তা মঞ্জুর হয়েছে।

সূত্রের দাবি, এ বার এই মাছ-মাংসের বাংলার জিআই পণ্য হিসেবে তকমা পাওয়ার অপেক্ষা। প্রতিটি ক্ষেত্রে মূল আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট এলাকার শিল্পী বা ব্যবসায়ীদের সংগঠন। বিশেষ সহায়তা করেছেন দেশের জিআই বিশেষজ্ঞ রজনী কান্ত। উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় রয়েছে নাবার্ডের পূর্বাঞ্চলের দফতর এবং রাজ্যের ক্ষুদ্রশিল্প ও বস্ত্র দফতরের। রাজ‍্যের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী কল‍্যাণ চক্রবর্তী বলেন, “বেশ কয়েকটি পেটেন্ট ফাইল হয়েছে। তার মধ‍্যে দেশি খাসির মাংস, চিংড়ি শুঁটকি রয়েছে। ইলিশ-পণ‍্য একটি বেসরকারি সংগঠন জমা দিয়েছে। সবগুলি সরকারের তরফ থেকেই করা হয়েছে। এতে আমাদের রাজ্যের কৃতিত্ব প্রকাশ পায়।”

বারাণসীর বাসিন্দা রজনী কান্ত জানান, বাংলার নিজের দেশি খাসির মাংস, ইলিশ, চিংড়ি, এমনকি কুমোরটুলির দুর্গা প্রতিমার জিআই তকমা নিয়ে পূর্বতন সরকারের সঙ্গেও বার বার কথা বলা হয়েছিল। তবে কোনও লাভ হয়নি। একটি সংগঠনের মাধ্যমে কুমোরটুলির প্রতিমার জন্য আবেদন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী দু’তিন মাসের মধ্যে তা জিআই তকমাও পেয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘‘পালাবদলের পর বাংলার নতুন সরকারের একেবারে শীর্ষ স্তর থেকে সরাসরি কথা বলা হয়। কথা বলেন ক্ষুদ্র শিল্প দফতরের প্রধান সচিব অনুপ আগরওয়ালও। রাজ্য সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পরেই দেশি খাসির মাংস, ইলিশের পণ্য, চিংড়ির শুঁটকির জিআই-এর জন্য আবেদন করা হয়।’’

বাংলার পাটের শিল্পপণ্য, চালতাবেড়িয়ার টেরাকোটার জন্যও আবেদন জমা দিয়েছেন কান্ত। তা মঞ্জুরও হয়েছে। তাঁর আশা, বছরখানেকের মধ্যে মাছ-মাংসের পণ্যগুলির জিআই তকমা মিলবে।

সাধারণত জিআই-এর বিষয়টি রাজ্য প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান দফতর দেখে। তবে এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রশিল্প দফতরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, জানান কান্ত। বর্তমান সরকার বাংলার মাছ-মাংসের একাধিক পণ্যের জিআই তকমা পেতে ইতিবাচক ভূমিকা নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
GI Tag Geographical Indications tags Mutton Dried Fish West Bengal government

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy