উৎসবের মুখে বাড়ল অনলাইনে খাবার আনানোর খরচ। শনিবার নেট-নির্ভর খাবার পরিবেশনকারী অ্যাপ জ়োম্যাটো জানিয়েছে, খাবার হাতে পাওয়ার পরে নগদে দাম দিলে (ক্যাশ অন ডেলিভারি) অতিরিক্ত মাসুল দিতে হবে গ্রাহককে। সংস্থার পক্ষ থেকে সরাসরি টাকার অঙ্ক জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে অনেকে জানাচ্ছেন, বিলের অঙ্কের উপর নির্ভর করে তা হতে পারে ৫-২০ টাকা। কেউ বলছেন, এই অঙ্ক ৭ টাকা থেকে শুরু। সুইগি-সহ অন্য জনপ্রিয় ডেলিভারি অ্যাপগুলি শনিবার পর্যন্ত এই মাসুল ধার্য করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শীঘ্রই ওই সংস্থাগুলিও জ়োম্যাটোর পথে হাঁটবে।
বাজারে এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম চড়ছে। যাতে সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সাধারণত উৎসবের মরসুমে তাঁদের অনেকেই বাইরের খাবার খান। বহু মানুষ অনলাইনের বদলে নগদে টাকাও দেন। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, এ বার তাঁদেরকেই বাড়তি টাকা গুনতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত খাবারের জন্য অনলাইনে আগে থেকে টাকা দেওয়া থাকলে কোনও চার্জ নেওয়া হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করাচ্ছে, সাধারণত অনলাইনে খাবার আনাতে গেলে তার দাম ছাড়াও দিতে হয় ডেলিভারি পার্টনার ফি, প্ল্যাটফর্ম ফি। উপরন্তু খাবারের দাম, প্যাকেজিং, ডেলিভারি পার্টনার ও প্ল্যাটফর্ম ফি-এর উপর আলাদা আলাদা করে জিএসটি-ও চাপে। মাস কয়েক আগে সুইগি ও জ়োম্যাটো প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়েছিল। বর্তমানে জ়োম্যাটোয় তা অর্ডারপিছু ১৪.৯০ টাকা। সুইগিতে আরও বেশি, ১৭.৫৮ টাকা। ফলে খরচ এমনিতেই বেড়েছে। এ বার জ়োম্যাটো ক্যাশ অন ডেলিভারি ফি চালু করায় ক্রেতাকে যে আরও খানিকটা অতিরিক্ত খরচ গুনতে হবে, সেটা স্পষ্ট।