একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ‘শাস্তি’ দিতে শ্রেণিকক্ষের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন শিক্ষিকা। প্রায় ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পরে সে শিক্ষিকার কাছে শৌচালয়ে যাওয়ার অনুমতি চায়। তার পরে হঠাৎই ঝাঁপ দেয় স্কুল ভবনের তিনতলা থেকে। ফরিদাবাদের এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এমনই অভিযোগ উঠেছে। আর ওই ঘটনার জন্য ছাত্রীর পরিবার দায়ী করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষকেই।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুর ১টা নাগাদ ফরিদাবাদের গাজ়িপুর রোডের এক বেসরকারি স্কুলে। পুলিশকে দেওয়া বয়ানে ওই ছাত্রীর বাবা জানিয়েছেন, তাঁর কন্যার কোনও সমস্যা ছিল বলে তিনি জানতেন না। পড়াশোনাও সে ঠিকমতোই করত। পরে তাঁর কন্যার সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলার পরে তিনি বলেন, ‘‘টিফিনের খাবার নিয়ে ক্লাসে ঝগড়া হচ্ছিল। তাতে আমার মেয়ের কোনও ভূমিকা ছিল না। তা সত্ত্বেও তাকে ৪ ঘণ্টা ক্লাসের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন শিক্ষিকা।’’
কী কারণে এমন ‘কড়া’ শাস্তি, সেকথাও জানিয়েছে ওই ছাত্রীর পরিবার। তাদের অভিযোগ, ‘‘শিক্ষিকার অনুমতি না নিয়ে কাউকে না বলে বিরিয়ানি খেতে স্কুলের বাইরে বেরিয়েছিল মেয়ে। ফিরে আসার পরেই তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।’’
যদিও স্কুল পরিবারের অভিযোগ মানতে চায়নি। পুলিশ ওই ঘটনায় স্কুলের প্রিন্সিপালকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন, ‘‘এটা হতেই পারে না যে কোনও ছাত্রীকে ৪ ঘণ্টা ক্লাসের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। যতদূর জানি, মেয়েটি শৌচালয়ে যেতে চেয়েছিল, তার পরেই ঝাঁপ দেয়।’’
স্কুল জানিয়েছে, ওই ছাত্রী ঝাঁপ দেওয়ার পরেই স্কুলের কর্মীরা দ্রুত তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় তাকে।