স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে কর্মজগতে প্রবেশের পথ আরও সহজ করতে দু’দিনের জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। দিল্লি ও এনসিআরের বিভিন্ন স্কুলের সহযোগিতায় ২৬ ও ২৭ অক্টোবর নয়া দিল্লিতে আয়োজিত হয়েছে চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন। এ বিষয় ‘স্কুল থেকে কর্মজগতে প্রবেশের পথ সহজ করা’। স্কুলশিক্ষার সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের যোগসূত্র আরও মজবুত করার বিষয়টিকে মূলত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের সচিব টিকে অনিল কুমার, সিবিএসই-র চেয়ারম্যান মনদীপ ভান্ডারী-সহ কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক এবং সিবিএসই-র একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা।
সম্মেলনে সচিব টিকে অনিল কুমার চারটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। সেগুলি হল—
১। প্রযুক্তি, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও দক্ষতা।
২। ডিজ়াইন, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন।
৩। ন্যাশনাল ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থায় দক্ষতার স্বীকৃতি।
৪। সকলের জন্য সমান সুযোগ-সহ কেরিয়ার নির্দেশিকা।
অনিল কুমারের মতে, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে স্কুলশিক্ষার সঙ্গে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে ধারাবাহিক সংযোগ থাকা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে পড়ুয়ারা শুধু কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতিই নেবে না, দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানো এবং সমাজে অবদান রাখার সুযোগও পাবে।
আরও পড়ুন:
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর লক্ষ্য অনুসারে, স্কুলের মূল পাঠ্যক্রমের সঙ্গে কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার সংযোগ বাড়ানোই এই সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়। কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পড়ুয়াদের কী ভাবে তৈরি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করছেন শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, শিল্পক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ এবং নীতি নির্ধারকেরা।