একাদশ-দ্বাদশ স্তরের শিক্ষক পদপ্রার্থীদের নথি যাচাই আপাতত স্থগিত রাখল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
সোমবার এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পর্ষদ জানিয়েছে, গত ৫ অগস্ট যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল সেখানে প্রায় ৩৬৫ জন প্রার্থীকে ডাকা হয়েছিল। সেটিই আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। ১২,১৩ এবং ১৭ অগস্ট এই যাচাইপর্ব চলার কথা ছিল। ওই বিজ্ঞপ্তিতে গত ৭ অগস্টের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের একটি বিজ্ঞপ্তির কোথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তার পরে ফের ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পরীক্ষায় বসতে হয় শিক্ষক পদপ্রার্থীদের। ফল প্রকাশিত হওয়ার পরে একাদশ-দ্বাদশ স্তরের কাউন্সেলিং শুরু হয় স্কুল সার্ভিস কমিশনে। প্রায় ২১টি বিষয়ের কাউন্সেলিং শেষ হলেও মধ্যশিক্ষা পর্ষদে অধিকাংশের নথি যাচাই বাকি রয়েছে। একাংশের নথি যাচাই হলেও তাঁরা চাকরি পাননি। স্কুল সার্ভিস থেকে সুপরিশপত্র পেয়েও এখনও কাজে যোগ দিতে পারেননি তাঁরা।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে কাউন্সেলিং শুরু হলেও এপ্রিল থেকে সেই প্রক্রিয়া থমকে যায়। সম্প্রতি স্কুল সার্ভিস কমিশন এই প্রক্রিয়া শুরু করছে। আগামী ১৪ অগস্ট থেকে ১২টি বিষয়ের জন্য ফের কাউন্সেলিং শুরু হচ্ছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদে তরফের নথি যাচাইয়ের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ায় আশার আলো দেখেছিলেন শিক্ষক পদপ্রার্থীরা। সোমবারের এই বিজ্ঞপ্তিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁরা। যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চের তরফের মেহবুব মণ্ডল বলেন, শিক্ষক শিক্ষিকারা কার্যত গিনিপিগে পরিণত হয়েছে। সকলেই শুধু আমাদের নিয়ে পরীক্ষা করতে চাইছেন। ফের ওবিসি জটে প্রক্রিয়া থমকে যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে যেখানে নিয়োগ হচ্ছে, সেখানেও এই অবস্থা। ৩১ অগস্টের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া কী ভাবে শেষ হবে?