Advertisement
E-Paper

খরচ করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার দরকার কী? প্রশ্ন ইলনের, সায় দিলেন মোদীর বাঙালি উপদেষ্টাও

যে দেশের প্রাচীনতম সংস্কৃতি গুরুগৃহে বছরের পর বছর থেকে শিক্ষাগ্রহণ করা, সেই ভারতে ইলনের কথাটি ‘বিজাতীয়’ বলে মনে হতে পারে। তবে তাঁকে সমর্থন করেছেন এক বাঙালি অর্থনীতিবিদ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ ১৭:২৯
ইলন মাস্কের বক্তব্যে সায় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যালও।

ইলন মাস্কের বক্তব্যে সায় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যালও। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

স্কুল পাশ করার পরে এ যুগে কোনও বিষয়ে বিশেষ ভাবে পড়তে বা জানতে কি সত্যিই কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া জরুরি? প্রশ্ন তুলেছেন অর্বুদপতি ইলন মাস্ক, আবার উত্তরও দিয়েছেন তিনিই। ইলনের বক্তব্য, এখন আর কোনও বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে পয়সা খরচ করে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার দরকার পড়ে না। কারণ, সব রকম পড়াশোনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান অনলাইনেই পাওয়া যায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!

যে দেশের প্রাচীনতম সংস্কৃতি গুরুগৃহে বছরের পর বছর থেকে শিক্ষাগ্রহণ করা, সেই ভারতে ইলনের কথাটি ‘বিজাতীয়’ বলে মনে হতে পারে। যাঁরা প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থা এবং তা সম্পূর্ণ হওয়ার শেষে ডিগ্রি পাওয়ার পন্থী, তাঁদেরও ভাবনায় ধাক্কা দিতে পারে ইলনের বক্তব্য। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ইলনের কথায় পুরোদস্তুর সায় দিয়েছেন এক বাঙালি অর্থনীতিবিদ। যিনি আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টাও বটে।

মোদীর ওই বাঙালি অর্থনৈতিক উপদেষ্টার নাম সঞ্জীব সান্যাল। সঞ্জীব কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্র। পরে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০২২ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদ (ইএসি-পিএম)-এর সদস্য তিনি। সঞ্জীব নিজের এক্স হ্যান্ডলে ইলনের বক্তব্য পোস্ট করে লিখেছেন, ‘‘আমারও ইদানীং ঠিক এই কথাটাই মনে হচ্ছে। যেখানে হাতের একটি টোকাতেই জ্ঞানভান্ডার পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে কলেজের বক্তৃতাধর্মী শিক্ষার প্রয়োজন কী?’’ সঞ্জীব মনে করেন, ১৮ বছর বয়সি কেউ যদি উচ্চাকাঙ্ক্ষী হন, তবে তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করে ডিগ্রি অর্জনের কাজটি পাশাপাশি চালিয়ে নিয়ে যাবেন।

কিন্তু তা যদি হয়, যদি যোগ্যতা বিচারের জন্য ডিগ্রিকে মান্যতাই না দেওয়া হবে, তবে চাকরি পাওয়ার মানদণ্ড কী হবে? সে প্রশ্নের জবাব আগেই দিয়ে রেখেছেন ইলন। তিনি বলেছেন, ‘‘নিয়োগকারী সংস্থার মনোভাবও বদলানো জরুরি। ডিগ্রি দেখার বদলে তাদের দেখা উচিত, যাঁকে তারা নিয়োগ করছে, তাঁর ব্যতিক্রমী ক্ষমতা কোনটি। ডিগ্রি পেতে কলেজে যেতে হলেও ব্যতিক্রমী ক্ষমতার প্রমাণ পেতে কলেজে যাওয়ার দরকার পড়বে না।’’

তা যদি হয় তবে উচ্চশিক্ষার বিষয়টি খানিক অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে না কি? মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টার মতে, কিছু ক্ষেত্রে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে শেখার বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক হবে না কোনও দিনই। তবে সেগুলিকে ব্যতিক্রম হিসাবেই দেখা হবে।

Elon Musk Higher education sanjeev sanyal

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy