Advertisement
E-Paper

কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু উচ্চমাধ্যমিক! নিরাপত্তার কড়াকড়ি, সামান্য ভুলেই বাতিল হতে পারে পরীক্ষা

পরীক্ষা শুরু হওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ সকাল ১০টার মধ্যে নিজের নিজের নির্ধারিত পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:০৫

ছবি: সংগৃহীত।

আর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্য জুড়ে শুরু হতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক ২০২৭-এর তৃতীয় সেমিস্টার। পরীক্ষা চলবে সকাল ১১টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরু হওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ সকাল ১০টার মধ্যে নিজের নিজের নির্ধারিত পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে।

কোন কোন নিয়ম না মানলে বাতিল হতে পারে পরীক্ষা?

১। বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে প্রবেশ নিষেধ

অন্য বছরের মতোই পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং যে কোনও ধরনের অনিয়ম রুখতে কড়াকড়ি রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় প্রতিটি কেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে বা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ, ক্যালকুলেটর বা কোনও ধরনের বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন কোনও পরীক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন বা অন্য কোনও বৈদ্যুতিন ডিভাইস পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেই পরীক্ষার্থীর সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সমস্ত এনরোলমেন্ট ও সম্পূর্ণ পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

২। ওএমআর উত্তরপত্র যে বিষয়গুলি নজর দেওয়া প্রয়োজন

পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়ন কোনও পরীক্ষক করবেন না। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে স্বয়ংক্রিয় বিশেষ ওএমআর স্ক্যানিং প্রযুক্তির মাধ্যমে। যেখানে কোনও পরীক্ষক বা প্রধান পরীক্ষক সরাসরি যুক্ত থাকবেন না। ফলে কালো বা নীল কালির কলম দিয়ে ওএমআর শিটে উত্তর বেছে নেওয়া ভাল। জেল কালি বা অন্য কোনও রঙের পেন ব্যবহার না করাই ভাল। নির্দিষ্ট স্থানে অর্ধেক রং করা থাকলে বা টিক মার্ক দিলে, সেটি সঠিক উত্তর হলেও নম্বর দেওয়া হবে না। একই জায়গায় বার বার কালি বোলানো ঠিক নয়। পেনসিল ব্যবহার না করা শ্রেয়। ওএমআর শিট ভাঁজ করলে, উত্তর স্ক্যান করতে সমস্যা হবে।

চলতি বছর তৃতীয় সেমেস্টারে মোট ৭,১৮,৬২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে। যার মধ্যে ৩,১৫,৭৩১ জন ছাত্র এবং ৪,০২,৮৮৯ জন ছাত্রী। রাজ্যের মোট ২,১০৫টি ভেনু ও ৮২৫টি মূল কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর নজরদারির জন্য দু’জন করে পরিদর্শক রাখা হয়েছে। ২০২৭ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার তৃতীয় সেমেস্টারে ‘চিলড্রেন উইথ স্পেশ্যাল নিডস’ (সিডব্লুউসিএন) পরীক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাড়তি সময়, লেখক অথবা দোভাষীর সুবিধা নিতে পারছেন। দুর্ঘটনা বা চিকিৎসাজনিত কারণে সাময়িক ভাবে লেখার ক্ষমতা হারানো পরীক্ষার্থীরাও এই সুবিধা পাচ্ছেন। তবে তার জন্য আগে আবেদন করতে হয়েছিল প্রার্থীদের।

HS Exam WBCHSE

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy