Advertisement
E-Paper

কর্মরত শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক টেট! সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে পথে শিক্ষকেরা, অবস্থান বিকাশ ভবনের বাইরে

আন্দোলনকারী সংগঠন মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক অনিমেষ হালদার জানান, কর্মরত শিক্ষকদের টেট নেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন জারি থাকবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২২:৪৬

— সংগৃহীত।

টেট বিরোধী আন্দোলনে ফের পথে নামলেন শিক্ষকেরা। বুধবার চারটি শিক্ষক সংগঠন বিকাশ ভবন অভিযান করে। তাঁদের মিছিলকে পুলিশ আটকানোর চেষ্টা করলে বিকাশ ভনের বাইরে তাঁরা অবস্থানে বসেন। পরে প্রতিনিধিরা দেখা করেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে।

আন্দোলনকারী সংগঠন মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক অনিমেষ হালদার জানান, কর্মরত শিক্ষকদের টেট নেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন জারি থাকবে। অনেক রাজ্যই বাধ্যতামূলক টেট-এর বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি। তাই এই মিছিল।

গত বছর সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে বলা হয়েছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব প্রাথমিক ও উচ্চপ্রাথমিক শিক্ষককে টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) উত্তীর্ণ হতে হবে। রেহাই পাবেন শুধু প্রবীণ শিক্ষকেরা, যাঁদের অবসরের আর মাত্র পাঁচ বছর বা তার কম সময় বাকি। পরে এই সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৮ করে শীর্ষ আদালত। এরই মধ্যে স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে জানতে চাওয়া হয় কবে তারা টেট নিতে পারবে। তার ভিত্তিতেই সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়ে দিয়েছে যে সবুজ সঙ্কেত মিললে ৩ মাসের মধ্যে তারা পরীক্ষা নিতে পারবে।

শিক্ষকদের একাংশের দাবি, শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯ কার্যকর হয় ২০১০-এ। সেই আইন অনুযায়ী বিধি তৈরি করে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার্স ট্রেনিং বা এনসিটিই। পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালের জুলাইয়ে শিক্ষকদের যোগ্যতা সংক্রান্ত নিয়ম চালু হয়। সেখানে টেট বাধ্যতামূলক করা হয়। তার আগে যাঁরা শিক্ষক হিসাবে কাজ শুরু করেছিলেন, তাঁদের এই টেট-এর আওতায় আসার কথা নয়। শিক্ষকদের একাংশ আবেদন করেছিলেন, এই আইন কার্যকর হওয়ার আগে থেকে যে সকল শিক্ষক কর্মরত, তাঁদের এই নির্দেশের বাইরে রাখা হোক।

হিসাব বলছে, এই মুহূর্তে সারা দেশে ২০ লক্ষ শিক্ষক কর্মরত, যাঁরা টেট উত্তীর্ণ নন। এ রাজ্যে সেই সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। শিক্ষার অধিকার আইন, আরটিই ২০০৯ এবং এনসিটিই ২০১০-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতার জন্য টেট পাশ করা ন্যূনতম এবং বাধ্যতামূলক যোগ্যতা। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, টেট আবশ্যিক যোগ্যতা। কিন্তু সমস্যা হয়েছে ২০১১ পর্যন্ত শিক্ষকতায় নিযুক্তদের নিয়ে।

Bikash Bhavan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy