স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরোনোর পর অনেকেই পরবর্তী পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় বললেই বিশালাকার সব অট্টালিকা এবং বড় বড় শ্রেণিকক্ষ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তবে বিশ্বে এমনও একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা এই ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র তুভালু-র রাজধানী ফোনাফুটিতে রয়েছে ‘ইউনিভার্সিটি অফ দ্য সাউথ প্যাসিফিক’। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে মাত্র একটি ভবনে পরিচালিত এই ক্যাম্পাসটিকে ‘বিশ্বের ক্ষুদ্রতম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস’-এর আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অফ দ্য সাউথ প্যাসিফিক। ছবি: সংগৃহীত।
এটি মূলত রিজিওনাল ইউনিভার্সিটি অফ দ্য সাউথ প্যাসিফিকের একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র, যার প্রধান ক্যাম্পাসটি ফিজির সুভাতে অবস্থিত। আশির দশকের শুরুতে এটি কেবল একটি সম্প্রসারণ কেন্দ্র হিসাবে শুরু হয়েছিল। সে সময়ে মূলত ছাপানো বই ও চিঠিপত্রের মাধ্যমে পড়াশোনা চলত। মাত্র তিনটি শ্রেণিকক্ষ সম্বলিত এই ক্ষুদ্র ক্যাম্পাসে প্রতি সেমিস্টারে গড়ে প্রায় ৩৩০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। তিনটি শ্রেণিকক্ষের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে একটি লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব এবং ডিস্ট্যান্স লার্নিংয়ের জন্য আধুনিক অডিয়ো-ভিডিয়ো কনফারেন্সিং রুম রয়েছে। সম্পূর্ণ অনলাইন এবং ব্লেন্ডেড লার্নিং (অনলাইন ও অফলাইনের মিশ্রণ) পদ্ধতির মাধ্যমে প্রার্থীরা নিজেদের দেশে থেকেই সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা এবং ডিগ্রি স্তরের কোর্স সম্পন্ন করতে পারেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে।
আরও পড়ুন:
২০২৬-এর জুলাই মাসের একটি প্রতিবেদনে একক ভবনে পরিচালিত তিনটি শ্রেণিকক্ষের কথা উল্লেখ করে এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বলে আখ্যা দেওয়া হয়। তবে ‘বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ক্যাম্পাস’ উপাধিটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব বা কোনও গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক খেতাব নয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসের আয়তন ও শিক্ষার্থী সংখ্যার সত্যতা স্বীকার করলেও তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই ধরনের কোনও দাবি করা হয়নি।