ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) হল আমেরিকার মর্যাদাপূর্ণ প্রধান পাঁচটি স্কুলের মধ্যে একটি। এটি মৌলিক গবেষণা এবং বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান। এখানে রোগ নিরাময়, জলবায়ু সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎপ্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় উচ্চশিক্ষা ও উন্নত গবেষণা পরিচালিত হয়।
এমআইটি-এর স্কুল অফ সায়েন্সের ডিনের দফতর পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ প্রোগ্রামের জন্য সব দেশের গবেষকদের আবেদন আহ্বান করেছে। তিন বছরের এই ফেলোশিপ কর্মসূচি ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীরা ১৫ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
কারা আবেদন করতে পারবেন?
এমআইটি-এর নিজস্ব অনলাইন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আন্তর্জাতিক প্রার্থী এবং বর্তমানে এমআইটি-তে পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কর্মরত ব্যক্তিরা এখানে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে এবং সেই ডিগ্রি ২০২৭ সালের আগস্টের মধ্যে অর্জিত হতে হবে।
আবেদন করতে কী কী লাগবে?
আবেদনের সঙ্গে অনলাইনে জমা দিতে হবে প্রার্থীর জীবনপঞ্জি, সর্বোচ্চ দু’পাতার গবেষণা প্রস্তাব এবং দু’টি সুপারিশপত্র। দু’টি সুপারিশপত্রের মধ্যে একটি নিজের বর্তমান সুপারভাইজ়ারের এবং অন্যটি গবেষণার মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলা এমআইটি-এর কোনও ফ্যাকাল্টি সদস্যের কাছ থেকে দিতে হবে। গবেষণা প্রস্তাবে জানাতে হবে, কী ভাবে সংশ্লিষ্ট গবেষণা বিভিন্ন শাখার মধ্যে সংযোগ তৈরি করছে।
ফেলোদের বৃত্তি
নির্বাচিত ফেলোদের বছরে ৮৮ হাজার ডলার করে বৃত্তি দেওয়া হবে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৩.২৫ লক্ষ টাকা। এর পাশাপাশি ৫ হাজার ডলারের রিলোকেশন ভাতা এবং ১৫ হাজার ডলারের গবেষণা অনুদান দেওয়া হবে, যার মূল্য প্রায় ১৪.৩৮ লক্ষ টাকা। স্বাস্থ্যবিমা-সহ কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সুবিধাও পাবেন ফেলোরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন শাখার মধ্যে গবেষণার সুযোগ তৈরি করে বৈচিত্র্যময় বিজ্ঞানীদের একটি দল গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে এমআইটি স্কুল অফ সায়েন্স। এ ছাড়া, গবেষণার পাশাপাশি ফেলোদের নেতৃত্ব, মেন্টরশিপ এবং পেশাগত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতেও অংশ নিতে হবে। বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটরের অর্থায়ন থাকলে এমআইটি-এর পোস্টডক্টরাল নিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম ও সময়সীমা মেনে ফেলোশিপের মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।